Published : 21 Dec 2023, 03:29 PM
ঢাকা-১৯ আসনের দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও কর্মী-সমর্থকদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ তিনজনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি।
বুধবার ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান, সিনিয়র সহকারী জজ জাকির হোসেন এ কারণ দর্শাও নোটিস পাঠান।
আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় তার কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে তিনজনকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিস প্রাপ্তরা হলেন, সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুবেল, সাভার পৌরসভার কাতলাপুরের সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. বাবু ও পলাশ।
তাদের মধ্যে বাবু সাভার সরকারি কলেজ (পূর্বনাম সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ) শাখার ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে ওই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এখন তিনি রুবেলের অনুসারী বলে জানা গেছে। আর পলাশের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
কারণ দর্শাও নোটিসে বলা হয়েছে, “সোমবার সন্ধ্যায় নামাগেণ্ডা এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নির্বাচনি কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের হুমকি, মারধর ও ভোটের প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। একইদিন রাতে পৌরসভার ভাগলপুরে হামলা হয় অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদ জং মুরাদের অস্থায়ী নির্বাচনি কার্যালয়ে। প্রায় ১৫-১৬ জন সেখানে ঢুকে কয়েকটি চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে এবং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে।
“তৌহিদের নির্বাচনি প্রচারণায় কেউ অংশ নিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তৌহিদের কর্মী সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল হালিমের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে সাইনবোর্ড ও তিনটি সিসি টিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করে হামলাকারীরা।
“উক্ত কার্যের দ্বারা আপনি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রর্থীর আচরণ বিধিমালা ২০০৮ এর ১১ (গ) বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছেন। এ আইন ভঙ্গের কারণে কেন নির্বাচন কমিশনে আপনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না, কমিটির দপ্তরে আগামী ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।”
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, “নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচনি ক্যাম্পে হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনজনকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”