Published : 21 Jul 2023, 07:16 PM
নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজীবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জমি থেকে পাট কেটে যানবাহনে করে চলনবিলের বিলশা এলাকায় নিয়ে আসছেন চাষীরা।
চাষিরা জানান, নাটোরের বিভিন্ন এলাকায় এ বছর পাটের খুব ভালো ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১২ মণ করে পাট হচ্ছে।
চলনবিলের বিলশা এলাকায় এনে পাট জাগ দিচ্ছেন চাষি ও শ্রমিকরা। দুই সপ্তাহ আগে যাদের জাগ দেওয়া ছিল, তারা এখন পাটের আঁশ ছড়াচ্ছেন।
পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও ধোওয়ার কাজে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে এ এলাকায়। প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এ কাজ করছেন অন্য কৃষকেরা।
পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও ধোয়ার কাজ খুব পরিশ্রমের। একটু এলার্জি সমস্যা থাকলেই কাজ করতে করতে চুলকানি শুরু হয়। তাই এ কাজের জন্য এলার্জির ঔষধ খেয়ে নিতে হয় বলে জানান শ্রমিকেরা।
এখন পাটের বাজারও ভালো, মণ বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায়। বিঘায় ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা আয় হবে, এমন আশায় শত কষ্টের পর সোনালী আঁশ হাতে পেয়ে হাসি ফোটে চাষির মুখে।