রংপুর চিড়িয়াখানায় এলো ‘রোমিও-জুলিয়েট’, দর্শনার্থীর ভিড়

এতদিন বাঘ শূন্য ছিল রংপুর চিড়িয়াখানা। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চলছিল একজোড়া বাঘ আনার।

রংপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Feb 2024, 08:36 PM
Updated : 3 Feb 2024, 08:36 PM

রংপুর চিড়িয়াখানায় সংযুক্ত করা হয়েছে রোমিও ও জুলিয়েট নামের একজোড়া বাঘ। বাঘ আসার খবরে চিড়িয়াখানায় ভিড় করতে দেখা গেছে দর্শনার্থীদের।

মঙ্গলবার বিকালে চট্টগ্রাম থেকে বাঘ দুটি আনা হয় বলে জানিয়েছেন রংপুর চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর আম্বার আলী তালুকদার।

এদিকে নতুন বাঘ দুটির পরিচর্যা, খাদ্য সরবরাহসহ খাঁচা সংস্কারে পাশাপাশি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে শহরে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

রংপুর চিড়িয়াখানার আম্বার আলী বলেন, বিকাল ৩টার দিকে লাল কাপড়ে মোড়ানো লোহার দুটি খাঁচা এসে পৌঁছায় চিড়িয়াখানার ফটকে। পরে সেখান থেকে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে বরণ করা হয় রোমিও-জুলিয়েটকে। সাড়ে ৩টার দিকে রোমিও-জুলিয়েটের শুভাগমন ও জন্মদিন উপলক্ষ্যে খাঁচার সামনে কেককাটা হয়। এরপরই বহুদিনের শূন্য খাঁচা পূর্ণ করে দুই বছর বয়সি এই টাইগার জুটি।

তিনি আরও বলেন, “গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ১৬ দিন অভুক্ত থেকে মারা যায় চিড়িয়াখানার একমাত্র বাঘিনী শাওন। ফলে এতদিন বাঘ শূন্য ছিল রংপুর চিড়িয়াখানা। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চলছে একজোড়া বাঘ আনার।

“অবশেষে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা থেকে বাঘ দুটি এসে পৌঁছাল। বাঘ আসার খবরে বাড়ছে দর্শনার্থী। বাঘের খাঁচার সামনে বেশি ভিড় করছে শিশু-কিশোররা।”

বাঘ দুটির জন্য মাংস সরবরাহের পাশাপাশি পরিচর্যায় কোনো কমতি থাকবে না বলে জানান চিড়িয়াখানায় বাঘের খাদ্য সরবরাহকারী রমজান আলী।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি এই চিড়িয়াখানায় একটি মাত্র বাঘিনী ছিল। ২০০৩ সালের ৩০ জুন শাওন নামের বাঘিনীর জন্ম হয়েছিল ঢাকার মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায়। ২০১০ সালে বাঘিনীটিকে রংপুর চিড়িয়াখানায় যুক্ত করা হয়। তবে কোনো সঙ্গী ছিল না। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে সুস্থ-সবলই দেখা গেছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শাওনের মৃত্যু হয়েছিল।

[প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক]