ফরিদপুরে সাংবাদিক নির্যাতন: পৌর মেয়রের ভাই গ্রেপ্তার

জাপানকে বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ফরিদপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 August 2022, 07:22 AM
Updated : 4 August 2022, 07:22 AM

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় স্থানীয় এক সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি জাপান মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

ফরিদপুর র‌্যাব ৮ এর লেফট্যানেন্ট কমান্ডার শহিদুল ইসলাম জানান, আলফাডাঙ্গা পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফারের ছোট ভাই জাপানকে বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা টাইমস পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও আলফাডাঙ্গা প্রেস ক্লাবের সাংগাঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে জাপান ও তার কয়েকজন সঙ্গীর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা মুজাহিদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা শহিদুল বলেন, আলফডাঙ্গায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় র‌্যাব ছায়া তদন্ত করে জাপানকে গ্রেপ্তার করে। তাকে বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Also Read: ফরিদপুরে সাংবাদিককে পেটালেন ‘মেয়রের ভাই’

সেদিনের ঘটনার বর্ণনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশে আলফাডাঙ্গার রাজধানী পরিবহনের কাউন্টারে যান রমিজ নামে এক যুবক। তিনি টিকিটের দাম পরিশোধ করে ঢাকাগামী একটি বাসে ওঠেন। বাস ছাড়ার আগ মুহূর্তে টিকিট কাউন্টার থেকে বলা হয়, রমিজ টিকিটের টাকা দেননি; তাই তাকে ঢাকায় যেতে দেওয়া হবে না।

বিষয়টি জানিয়ে সাংবাদিক মুজাহিদের সহযোগিতা চান রমিজ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাইলে মুজাহিদের ওপর চড়াও হন ওই কাউন্টারের ম্যানেজার জাপান ও তার সহযোগীরা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মুজাহিদকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ সময় পাশে থাকা লোকজন এগিয়ে এলে তাদের ওপর চড়াও হন হামলাকারীরা।

আলফাডাঙা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জাামান বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ পারুল বেগম নামে একজনকে আটক করে।

পরে মঙ্গলবার থানায় দায়ের মামলা হলে তাতে পারুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

বৃহস্পতিবার পারুলকে আদালতে তোলা হলে তিনি জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তা নামঞ্জুর পারুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক