ফরিদপুরে সাবেক মন্ত্রীর এপিএসের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের আরেক মামলা

তার বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা হয়েছে। পুলিশ সাতটিতে অভিযোগপত্র দিয়েছে আদালতে। তিন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

ফরিদপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 August 2022, 02:08 PM
Updated : 4 August 2022, 02:08 PM

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেনের সাবেক এপিএস এএইচএম ফোয়াদের বিরুদ্ধে আরও একটি মানি লন্ডারিং মামলা হয়েছে।

বুধবার রাতে ফরিদপুরে কোতোয়ালি থানায় সিআইডির এসআই বিচিত্রা রানী বিশ্বাস মামলাটি করেন বলে একই থানার পরিদর্শক এমএ জলিল জানান।

৫২ বছর বয়সী ফোয়াদ এক সময় জেলা যুবলীগের আহ্বায়কও ছিলেন। ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বিলনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

মানি লন্ডারিংয়ের অপর এক মামলায় ২০২১ সালের ১২ অক্টোবর রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফোয়াদ বর্তমানে কারাগারে আছেন।

পরিদর্শক জলিল বলেন, ফোয়াদের বিরুদ্ধে বিচিত্রা রানীর মামলায় পাঁচ কোটি ৪৪ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮৬ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। সিআইডি মামলাটি তদন্ত করবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, “ফোয়াদ ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেনের ছত্রছায়ায় থেকে ফরিদপুরের ইমতিয়াজ হাসান রুবেল ও সাজ্জাদ হোসেন বরকতের সহায়তায় হেলমেট বাহিনী গঠন করেন। ওই বাহিনী দিয়ে ফোয়াদ এলজিইডি, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, গণপূর্ত বিভাগ, বিএডিসি, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি অফিসের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হন। এছাড়া চাকরির বিভিন্ন নিয়োগে মন্ত্রীর সুপারিশ করিয়ে দেওয়ার কথা বলে অবৈধভাবে বিশাল সম্পত্তির মালিক হন।”

এসব ঘটনার জেরে ২০২০ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কাফরুল থানায় ইমতিয়াজ হাসান রুবেল ও তার ভাই সাজ্জাদ হোসেন বরকতের বিরুদ্ধে দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে সিআইডি। ওই মামলার অভিযোগপত্রে ফোয়াদের নামও আসে।

পরিদর্শক জলিল বলেন, ফোয়াদের বিরুদ্ধে আটটি মামলা আছে। সেগুলোর মধ্যে সাতটির অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি ফোয়াদ। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক