১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

টঙ্গীতে ড্রামের মুখ খুলে রাসায়নিক পড়ে দগ্ধ ৩ শ্রমিক

ওসি বলেন, ড্রামটিতে ডায়িং কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক রাখা ছিল বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

টঙ্গীতে ড্রামের মুখ খুলে রাসায়নিক পড়ে দগ্ধ ৩ শ্রমিক

ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট।

গাজীপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Mar 2024, 01:19 PM

Updated : 08 Mar 2024, 01:19 PM

টঙ্গীতে একটি রাসায়নিক কারখানার মালামাল নামানোর সময় গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন তিন শ্রমিক। তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকার এম কে এন ট্রেডিংস নামের রাসায়নিক কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. সাখাওয়াত হোসেন।

দগ্ধরা হলেন, ভোলার চরফ্যাশনের নেসার আলীর ছেলে মো. ফরিদ (৫০), জয়পুরহাট পাঁচবিবি উপজেলার দাড়িয়াল গ্রামের মোকসেদ আলীর ছেলে মো. জাহিদুল ইসলাম (৫৫) এবং জয়পুরহাট পাঁচবিবি উপজেলার বাসিন্দা মো. মনির হোসেন (৪৫)।

ওসি সাখাওয়াত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, রাতে কারখানায় আনলোড করার সময় একটি ড্রামের মুখ খুলে গিয়ে ভেতরে থাকা রাসায়নিক তিন শ্রমিকের শরীরে পড়ে। এতে তারা গুরুতর দগ্ধ হন।

ওসি বলেন, ড্রামটিতে ডায়িং কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক রাখা ছিল বলে জানিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী রেজিস্ট্রার মৃদুল কান্তি সরকার জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে টঙ্গী থেকে দগ্ধ অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়।

তাদের মধ্যে মো. ফরিদের শরীরের শতকরা ৭০ শতাংশ, মো. জাহিদুল ইসলামের ১৭ শতাংশ এবং মো. মনির হোসেনের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

“তাদের সকলেরই কেমিক্যাল বার্ন হয়েছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা অ্যাসিড না অন্য কোনো রাসায়নিকে দগ্ধ হয়েছেন তা পরীক্ষার পর জানা যাবে।”

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ-আল-আরেফিন বলেন, “কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমাদের অবগত করেনি। তবে বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”