ভোলায় ‘গেইট ধরা’ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ, কনেসহ আহত ১৫
দুইমাস আগে হারুন অর রশীদের মেয়ে নূপুরের সঙ্গে একই এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে শরীফের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়, শুক্রবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল।
ভোলায় বিয়ে বাড়িতে গেইট ধরার টাকা লেনদেন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে কনেসহ দুইপক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দুপুরে শহরতলীর জামিরা লতা মুন্সি সরদার বাড়ির হারুন অর রশিদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান সদর থানার ওসি মো. শাহীন ফকির ।
শনিবার তিনি বলেন, এ ঘটনায় কনের পাশাপাশি তার বাবা-মাও আহত হয়েছেন, পণ্ড হয়ে গেছে বিয়ের অনুষ্ঠান। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুইমাস আগে হারুন অর রশীদের মেয়ে নূপুরের সঙ্গে একই এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে শরীফের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। শুক্রবার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বরকে বরণ করে নেওয়ার সময় বিয়েবাড়ির মূল ফটকে ‘গেইট ধরে’ কনেপক্ষ। গেইট ধরার টাকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। এরই জের ধরে বরপক্ষের লোকজন হকিস্টিক ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বিয়ের প্যান্ডেল, চেয়ার টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। অতিথি আপ্যায়নের জন্য রান্না করা খাবার তছনছ করে ফেলে দেয়।
এসময় দুপক্ষের মধ্যে মরামারির ঘটনা ঘটে। এতে কনে, কনের বাবা, মা, ভাই, বরের বাবা, খালুসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ওসি শাহীন ফকির জানান, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জানতে পারে পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয় এবং আহতের দেখতে হাসপাতালেও যায় পুলিশের একটি টিম।
কনের বাবাকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হলেও শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানান ওসি।
দুই পক্ষের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর ও কনেপক্ষের স্বজনরা বসে এ ঘটনার মীমাংসা করবেন।
