নাটোরে শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে স্ত্রীসহ কনস্টেবল গ্রেপ্তার
আহত আট বছরের শিশুটি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নাটোর সদরে আট বছরের এক শিশুর ডান হাতের একটি আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় করা মামলায় পুলিশের এক কনস্টেবল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে শহরের একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে নাটোর সদর থানার ওসি মুনসুর রহমান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাসায় নিয়ে শিশুটির আঙুল কেটে দেওয়া হয় বলে জানায় পুলিশ। পরে রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন।
আহত শিশুটিকে নাটোর সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল শাকিল ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়িতে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন। তিনি নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত আছেন।
শিশুটির বাবা বলেন, “কনস্টেবল শাকিল তার পরিবার নিয়ে আমাদের বাসায় ভাড়া থাকেন। বুধবার বাড়িতে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সেখানে আমার ছেলের সঙ্গে কনস্টেবলের চার বছরের মেয়ের কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি আমরা পারিবারিকভাবে সমাধান করে দেই।
“কিন্তু পরদিন দুপুরে কনস্টেবল ডিউটি থেকে ফিরে এসে আমার ছেলেকে জোর করে তাদের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে খাটের চৌকাঠের ওপর হাত রেখে বটি দিয়ে কোপ দিয়ে ছেলের আঙুল আলাদা করে ফেলা হয়।”
এ ঘটনার কঠিন বিচার চেয়ে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এখন রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।”
ওসি মুনসুর রহমান বলেন, রাতে ওই শিশুর বাবা থানায় অভিযোগ দিলে কনস্টেবল শাকিল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার আদালতে সোপর্দ করা হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি বটি জব্দ করা হয়েছে।
