ঈদের আগে মালিকদের বেতন পরিশোধের তাগিদ: শিল্প পুলিশের ডিআইজি
“কোন কোন কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেনি, সেগুলো তালিকা করে ঈদের আগেই বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছি।”
ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্পসহ অন্য সব সেক্টরে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য মালিকপক্ষকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প পুলিশের ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া।
তিনি বলেন, “আমরা কাজ করছি। কারখানার মালিকপক্ষ, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেছি। ঈদের আগে মালিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী খাঁ পাড়া রোডের মাসকো-পিকাসো কারখানা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমাদের যারা শ্রমজীবী ভাই বোন আছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ করছি যে, যেকোনো ঘটনা ঘটলে আপনারা অধৈর্য হবেন না। আপনাদের রুটি-রুজির যে ফ্যাক্টরি, সেখানে হাত না তুলে, ভাঙচুর না করে, আপনারা শিল্প পুলিশকে ইনফরমেশন দিবেন। শিল্প পুলিশ আপনাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করবে।”
গাজীপুরে প্রায় ৩৬টি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা গোয়েন্দা পুলিশের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছি। কোন কোন কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেনি, সেগুলো তালিকা করে ঈদের আগেই বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য নেপথ্যে কাজ করে যাচ্ছি।”
এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি কারখানার ম্যানেজমেন্ট ও মালিকপক্ষের সঙ্গে বসে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আজাদ মিয়া বলেন, “আমাদের শ্রমিক ভাই-বোন যারা আছেন, তারা যেন ঈদের আগে বেতন-বোনাস নিয়ে বাড়ি যেতে পারেন; আর আনন্দে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেই চেষ্টা চলছে।”
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহমেদ, সহকারী পুলিশ সুপার মো. মোশাররফ হোসেন, জিএমপি টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিল্প পুলিশের টঙ্গী ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ওসমান গণিসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
