Published : 26 Dec 2025, 05:46 PM
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা এক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ১৩ রোহিঙ্গা নাগরিকের জন্মনিবন্ধন তৈরি ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আগামী তিন কার্য দিবসের মধ্যে তাদের কাছে শোকজের জবাব চাওয়া হয়েছে বলে মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন জানান শুক্রবার।
এ ঘটনায় বুধবার উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ঝর্না আক্তারের স্বামী মওদুদ আহমেদ শাওনকে (৩৫) গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পরপর গাগলাজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইমরান মিয়া ও সচিব রাজিব মিয়াকে শোকজ করে প্রশাসন।
এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ইমরান মিয়ার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোনে ধরেননি।
ইউপি সচিব রাজিব মিয়া বলেন, “বুধবার শোকজ করা হলেও বৃহস্পতিবার নোটিস হাতে পেয়েছি। আগামী তিন কার্য দিবসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। যথাযথ সময়ে জবাব দেওয়া হবে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। শাওন নিজেই সিল-স্বাক্ষর নকল করে এসব করেছেন।”
ইউএনও আমেনা খাতুন বলেন, তাদের থেকে পাওয়া জবাব জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করবেন।
ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের ভুয়া সিল স্বাক্ষর দিয়ে ১৩ রোহিঙ্গা নাগরিকের জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের এক উদ্যোক্তার স্বামী শাওনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে এ ঘটনায় গাগলাজুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রাজিব মিয়া বাদী হয়ে শাওনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এতে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নেত্রকোণায় ১৩ 'রোহিঙ্গার নামে জন্মনিবন্ধন', ইউপি উদ্যোক্তার স্বা