Published : 04 Apr 2026, 04:20 PM
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বিনামূল্যে বিতরণের জন্যে বরাদ্দ করা ২৩০ প্যাকেট পাট বীজ খোলা বাজারে বিক্রির সময় এক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও দোকানীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
পরে শুক্রবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার নিশ্চিতপুর ইউনিয়নে দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম এবং পাট বীজের ক্রেতা মো. গোলাই।
আব্দুস সালাম তেকানি ইউনিয়নের চরবুরুঙ্গী গ্রামের শামসুল হকের ছেলে এবং ব্যবসায়ী গোলাই চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের ভানুডাঙ্গা গ্রামের গফুর আলীর ছেলে।
ইউএনও মোস্তাফিজুর বলেন, শুক্রবার বিকালে ২৩০ প্যাকেট সরকারি তোষা পাট বীজ রিক্সা ভ্যানে নিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহবশত স্থানীয় জনতা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও বীজের ক্রেতাকে আটক করে নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করে।
পরে সংবাদ পেয়ে শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থলে পৌছে ঘটনার সত্যতা পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালামকে ৫০ হাজার ও পাট বীজের ক্রেতা মো. গোলাইকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
তবে তাৎক্ষণিক অর্থ প্রদান করায় মুচলেকা রেখে এবং ভবিষ্যতের জন্য সর্তক করে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম বলেন, “চলতি বছরে এখনো পাট অধিদপ্তরের সরকারি বীজ উপজেলায় আসেনি। যতদূর জানতে পেরেছি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বিগত বছরের এসব বীজ বিক্রি করেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ. কে. এম মনজুরে মাওলা বলেন, “উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দশম গ্রেডের হওয়ায় বিধি অনুযায়ী পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।”