বগুড়ায় স্কুল থেকে ফুসলিয়ে ৯ শিশুকে নিয়ে গুদামে আটক, তদন্তে পুলিশ
শেরপুর থানার এসআই কামরুল হাসান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
বগুড়ার শেরপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থীকে প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে পাশের উপজেলায় একটি গুদামে আটকে রাখার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
শেরপুর থানার এসআই কামরুল হাসান বলেন, তদন্ত করে নয় শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে গুদামে আটকে রাখার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
শেরপুরের মহিপুর কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থীকে মঙ্গলবার পাশের শাজাহানপুর উপজেলার একটি মুরগির গুদামে আটকে রাখা হয়েছিল। আট ঘন্টা পর তাদের উদ্ধার করা হয়।
এ ব্যাপারে এক শিশুর অভিভাবক থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগকারী শুকুর আলী বলেন, সোমবার তার ছেলেসহ বিদ্যালয়ের নয় শিক্ষার্থীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে শাজাহানপুর উপজেলার নয় মাইল এলাকায় একটি গুদামে আটকে রাখা হয়।
আটকের প্রায় আট ঘণ্টা পর দুই শিক্ষার্থী কৌশলে পালিয়ে এসে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন বিকাল ৫টার দিকে গুদামে গিয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় পাঁচ কিশোরের নাম দিয়ে অজ্ঞাত আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দিন বলেন, “অভিযোগটি তদন্তাধীন। যতটুকু জেনেছি, কিছু কিশোর তাদের প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে ছবি তোলে। তাদের বিদেশি কোনো অ্যাপে যুক্ত করলে ৯০০ টাকা করে পাবে বলে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
