Published : 25 Mar 2026, 05:41 PM
মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সৌধ এলাকায় নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা।
জাতির গৌরব আর অহংকারের দিন ২৬ মার্চ বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধ নামবে লাখো জনতার ঢল। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে উঠবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদী।
দিবসটি উপলক্ষে গণপূর্ত বিভাগের কর্মীরা সৌধ প্রাঙ্গণকে দিয়েছে এক নতুন রূপ। নানা রঙ্গের বাহারী ফুলের চাদরে ছেয়ে গেছে স্মৃতিসৌধের সবুজ চত্বর। চত্বরের সিঁড়ি ও নানা স্থাপনায় পড়েছে রঙ-তুলির আঁচড়।

নিরাপত্তার জন্য ওয়াচ টাওয়ার, উচ্চ মাত্রার সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পুলিশ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারিসহ সৌধ এলাকায় থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, স্পিকার, কূটনীতিক, বিরোধী দলের নেতা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।
এর মধ্যে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদানের জন্য একটি সুসজ্জিত দল তাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। স্মৃতিসৌধে আগত অতিথিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত এবং এর আশপাশের এলাকায় সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিসহ মোতায়েন থাকবে সহস্রাধিক পুলিশ।
তবে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ও বিদেশি কূটনীতিকসহ লাখো মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। অতিথিদের স্বাগত জানাতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এর মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রং তুলির কাজ, ফুল গাছ স্থাপন, লেক সংস্কারের কাজ শেষ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকাজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ।