০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

রাজিব পরিবহন বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের

অবরোধের কারণে আড়াই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 02 Nov 2026, 06:50 PM

Updated : 02 Nov 2026, 06:50 PM

ঢাকা থেকে জামালপুরগামী রাজিব পরিবহনের বাস বন্ধের দাবিতে ময়মনসিংহে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

অবরোধের কারণে আড়াই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর, নেত্রকোণা, শেরপুর ও কিশোরগঞ্জ পথে চলাচলকারী বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহন আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।

সোমবার দুপুর ১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নগরীর দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকায় দ্বিতীয় দফায় সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।

রোববার চুরখাই এলাকায় রাজীব পরিবহনের বাস চাপায় নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী জাকিরুল ইসলাম এবং ২ অক্টোবর নগরীর রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় রাজিব পরিবহনের সংঘর্ষে অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত হন।

রাজিব পরিবহনের অতিরিক্ত গতি এবং একের একের পর দুর্ঘটনার কারণে পরিবহবনটি বন্ধের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

এ সময় রাজীব পরিবহনের তিনটি বাস আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি পরিবহনটির রুট পারমিট বাতিল ও দায়ী চালকদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

এদিকে, দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধের পর সাধারণ যাত্রীদের কথা চিন্তা করে সড়ক থেকে সরে আসেন শিক্ষার্থীরা। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শিক্ষার্থীরা আবার সড়ক অবরোধ করে বলে জানায় ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, সড়ক অবরোধ ছাড়ার পর কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শিক্ষার্থীরা আবার সড়ক অবরোধ করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

অবরোধ চলাকালে শিক্ষার্থী হাসান জাকির এবং তোফায়েল আহমেদ জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টার মধ্যে রাজীব পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা এবং সড়কে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ময়মনসিংহ জেলা মটর মালিক সমিতির সভাপতি আলমগীর মাহমুদ বলেন, “আমি শুধু জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি না। আমি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক। ওই দায়িত্ব থেকে রাজিব পরিবহন সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেব, যেন তারা সড়কে সুশৃঙ্খভাবে গাড়ি চালায়। যদি এর ব্যত্যয় ঘটে তাহলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”