Published : 13 Nov 2025, 08:28 PM
গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে নানা আয়োজনে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছেন স্বজন-শুভানুধ্যায়ীরা।
প্রতি বছরের মত বৃহস্পতিবার সকালে হুমায়ূন আহমেদের পরিবার, ভক্ত, কবি-লেখক ও নাট্যজনরা ফুল হাতে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন নুহাশপল্লীর লিচুতলায়।
লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, পুত্র নিনিত হুমায়ূন ও নিষাদ হুমায়ূন কবর জিয়ারত করেন। এ সময় হুমায়ূন আহমেদের শুভানুধ্যায়ী ও ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। নন্দিত লেখকের প্রিয় চরিত্র হলুদ পাঞ্জাবিতে হিমু সেজে আসেন অনেকে।
সমাধিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর কাটা হয় কেক।
এ সময় হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের ক্যান্সার হাসপাতাল ও জাদুঘর বিনির্মাণে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, “স্বপ্ন দেখি এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে ধৈর্য্য ও শক্তি চাই। আমি মানসিক ও শারীরিক শক্তি চাই। আমি সৌভাগ্যবান, হুমায়ুন আহমেদের সৈনিকরা আমার আশপাশে রয়েছেন, তারা সবাই হুমায়ুন আহমেদ ও নুহাশপল্লীর শুরু থেকে রয়েছেন।

“একজন স্বপ্নবাজ হুমায়ুন আহমেদের কথা বলছি, তার সৈনিকরা হুমায়ুন আহমেদকে স্মরণ করে। আমরা হয়ত থাকব না। কিন্তু তার সৈনিকরা থাকবে। একদিন এই সৈনিকরাই হুমায়ুন আহমেদের স্বপ্ন পূরণ করবেন।”
বুধবার রাত ১২ টা ১ মিনিটে নুহাশপল্লীতে এক হাজার সাতাত্তরটি মোমবাতি প্রজ্বলন করা হয়। তখন নুহাশ পল্লীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেক কাটেন।
হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জে তার মাতামহের বাড়িতে। তার পৈত্রিক বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
তার বাবা ফয়েজুর রহমান ও মা আয়েশা ফয়েজ। ২০১২ সালে ১৯ জুলাই মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে মারা যান।