Published : 26 Jul 2026, 11:51 PM
জেলা কোচ নিয়োগের প্রথম দফার পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল মেলেনি। প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম সংখ্যক আবেদনকারী লিখিত পরীক্ষায় পাস করেন। এরপর, আবেদনের ন্যুনতম যোগ্যতা কমিয়ে দ্বিতীয়বার বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যোগ্যতা কমানোর কারণ হিসেবে, বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা জানালেন, সবাইকে সমান সুযোগ দিতে নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত।
প্রথম দফায় জেলা কোচ হওয়ার জন্য অন্তত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার অথবা লেভেল ১ কোচিং কোর্স থাকার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছিল। তবে, শনিবার রাতে প্রকাশিত দ্বিতীয় দফার বিজ্ঞপ্তিতে এই ন্যূনতম যোগ্যতার বিষয়টি রাখা হয়নি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এর কারণ জানিয়েছেন ফাহিম সিনহা।
“প্রথমবার অনেকে যোগ্যতা না থাকার পরও আবেদন করেছিল। তাদেরকে আমরা সুযোগ দিয়েছিলাম। এ জন্য আবার যোগ্যতা উঠিয়ে দিয়ে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সবাইকে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।”
প্রথমবার যারা আবেদন করেছেন, তাদের আর নতুন করে আবেদন করতে হবে না বলেও জানান তিনি।
প্রথম দফায় ২১৮ জন জেলা কোচ হতে আবেদন করেন। প্রাথমিক লিখিত পরীক্ষায় মাত্র ৩৮ জন উত্তীর্ণ হন।
৫৯ জেলা ও ঢাকা মহানগরীর জন্য দুইজনসহ মোট ৬১ পদের জন্য যোগ্য প্রার্থী খুঁজছে বিসিবি। দুই বছরের চুক্তিতে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে।
পর্যাপ্ত সংখ্যক ‘যোগ্য প্রার্থী’ খুঁজে পেতেই হয়তো নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিসিবি। যদিও, সেটা স্বীকার করতে নারাজ ফাহিম সিনহা।
“পরীক্ষা নেওয়ার আগেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের। সে অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।”
এছাড়া, প্রশ্ন কঠিন হওয়ার পাশাপাশি বিসিবির দেওয়া গাইডলাইন অনুযায়ী প্রশ্ন না হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেসব অস্বীকার করেছেন ফাহিম।
“প্রশ্ন কঠিন বা সহজ হয়েছে, ব্যাপারটি এমন না। আমরা একটা নিয়ম মানার চেষ্টা করেছি। এ জন্য এমন হয়েছে। পরের ধাপে আবার যখন পরীক্ষা নেওয়া হবে, তখনও একই নিয়ম মানা হবে।”
“তৃণমূলের জন্য ভালো কোচ খুঁজে পেতে অনেক আগে থেকেই আমাদের এইভাবে আগানো প্রয়োজন ছিল। সেটা আমরা করতে পারিনি। এখন থেকে নিয়মিত আমরা এভাবেই কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাব।”
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে কোচ নিয়োগ করা হলে তা দেশের ক্রিকেটের জন্যই মঙ্গলজনক হবে, বলেন বিসিবির এই পরিচালক।
এ দফায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রাথমিক লিখিত পরীক্ষা কবে আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
জেলা কোচ নিয়োগে তিন সদস্যের টেকনিক্যাল কমিটি করেছে বিসিবি। সেই কমিটিতে আছেন- দেশের শীর্ষ তিন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, মিজানুর রহমান বাবুল ও সোহেল ইসলাম।