এস কে সুরের সম্পদের হিসাব না দেওয়ার মামলার রায় মঙ্গলবার
বিচার চলাকালে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এসকে সুর চৌধুরীর রায়ের দিন রয়েছে মঙ্গলবার।
ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আয়েশা নাসরিন এ রায় ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী দেওয়ান আশিক।
দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গেল ১৫ জুলাই রায়ের দিন রাখা হয়।
দুদকের পক্ষে কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ যুক্তিতর্ক তুলে ধরে তার সর্বোচ্চ সাজা তিন বছরের কারাদণ্ডের আর্জি জানান। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী সরোজ কুমার হাওলাদার এস কে সুরের খালাস চান।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, এসকে সুরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে তার ও তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ বা সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করার জন্য সম্পদের হিসাব বিবরণীর নোটিস জারি করা হয়।
তিনি গত বছরের ২৭ অক্টোবর নিজ স্বাক্ষরে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশসহ সম্পদ বিবরণী ফরম গ্রহণ করেন। কিন্তু আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় এস কে সুর, তার স্ত্রী সুপর্ণা সুর চৌধুরী ও কন্যা নন্দিতা সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে গত বছর ২৩ ডিসেম্বর দুদক মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন।
গত বছরের ২৫ অগাস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন। গত বছরের ৬ নভেম্বর এস কে সুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।
মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ।
২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক এ ডেপুটি গভর্নরকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
