০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নন্দিত লেখকের প্রিয় চরিত্র হলুদ পাঞ্জাবিতে হিমু সেজে আসেন অনেকে।
নাটকটি গ্রুপ থিয়েটারের মঞ্চের পেছনের অপ্রকাশিত দিকগুলো তুলে ধরেছে— যেখানে আছে বন্ধুত্ব, প্রেম, হিংসা, নিঃসঙ্গতা, আত্মপরিচয়ের খোঁজ এবং শিল্পের প্রতি এক অমোঘ টান।
ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকীতে শনিবার গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন মেহের আফরোজ শাওন। এ সময় তাদের দুই সন্তান নিশাত ও নিনিতসহ সেখানে উপস্থিত ছিলেন নুহাশপল্লীর কর্মচারী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হুমায়ূন ভক্তরা।
হুমায়ূন আহমেদের ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে শাওন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
‘আগুনের পরশমণি’ মুক্তিযুদ্ধের গল্প, কিন্তু একইসঙ্গে আবেগময় এক প্রেমকাহিনী, যেখানে ভয়, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মত্যাগ মিলে মিশে গেছে।
“উপন্যাসটিতে পাকিস্তানিদের প্রতি সাধারণ মানুষের মনোভাবও দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দোকানির ইয়াহিয়া খানের ছবিতে থুতু দিয়ে মোছা আর পাকিস্তানের প্রতি এক ভিক্ষুকের গালি সেটিই স্পষ্ট করে। এটি একাত্তরের চেতনায় সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার স্মরণীয় উপন্যাস।”
একদিন খুব ভোরে পুতুল বাসা থেকে পালিয়ে যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তার দেখা হয় সমবয়সি এক শিশু অন্তুর।
সকাল ১১টার দিকে নুহাশপল্লীর হোয়াইট হাউজের সামনে দুই ছেলেকে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনের কেক কাটেন শাওন।