২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩

আইনশৃঙ্খলা অবনতি করার চেষ্টাকারীদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান তিনি।

আইনশৃঙ্খলা অবনতি করার চেষ্টাকারীদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাঙামাটিতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

রাঙামাটি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Sep 2024, 04:13 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:30 AM

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করা হলে ‘হাত ভেঙে’ দেওয়া হবে  বলে হুঁশিয়ার করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

পার্বত্য দুই জেলায় সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনার পর শনিবার রাঙামাটিতে গিয়ে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে একথা বলেন তিনি। 

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে দেওয়া যাবে না। যারা পরিস্থিতি অবনতি করার চেষ্টা করবে তাদের কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের হাত ভেঙে দেওয়া হবে।"

রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। 

এ সময় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাহির থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের কোথাও যেনো ছন্দপতন ঘটছে। এর পেছনের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হবে।”

রাঙামাটি জেলার উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার দুপুর ১২টায় রাঙামাটি রিজিয়নের প্রান্তিক হলে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, পুলিশ প্রধান মইনুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম।

স্থানীয়দের মধ্যে বিএনপি, জনসংহতি সমিতি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পরিবহন মালিক শ্রমিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ বক্তব্য ও পরামর্শ তুলে ধরেন।