Published : 26 Jan 2026, 12:52 AM
আপন মামা নয়, সৎ বাবার ধর্ষণের কারণেই রাজশাহীতে ১২ বছরের কিশোরী গর্ভবতী হয়ে সন্তান প্রসব করে বলে পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই বলছে, ‘মিথ্যা’ মামলা দিয়ে ভাইকে ফাঁসান ওই কিশোরীর মা। কিন্তু কিশোরীর মামাকে গ্রেপ্তারের পর ডিএনএ পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পরে ওই কিশোরীর সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করলে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি। পাশাপাশি তার ডিএনএ নমুনাও মিলে যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১-২০২২ সালের দিকে রাজশাহীর বাঘায় নানার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত ১২ বছর বয়সী ওই কিশোরী। সেখানে থাকাকালে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে তার সঙ্গে তার আপন মামার বিয়ে দেওয়া হয়। এরপর মামা আত্মগোপন করেন।
এরই মধ্যে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ ওই কিশোরী এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। ওই ঘটনায় ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল কিশোরীর মা বাদী হয়ে তার নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
আদালত মামলাটি তদন্ত করে পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। তদন্তে নেমে পিবিআই মামাকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু তার ডিএনএ নমুনা পরীক্ষায় নবজাতকের সঙ্গে না মেলায় রহস্য আরো জটিল হয়।
পরে প্রকৃত অপরাধী সনাক্তে পিবিআই নানাভাবে কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে কিশোরীর সৎ বাবাকে সন্দেহ করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে সে ওই কিশোরীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। পরে ডিএনএ নমুনাও শিশুটির সাথে মিলে যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিশোরীর মা রাতের বেলা ঘুমিয়ে পড়লে সৎ বাবা প্রায়ই মেয়েটিকে ধর্ষণ করার কথা পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।