Published : 16 Nov 2025, 04:34 PM
আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির ঘটনায় গোপালগঞ্জের সদরে দুটি, কোটালীপাড়ায় একটি ও কাশিয়ানীতে একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ওই চার মামলায় ২০০ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৯১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব মামলায় ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, গত ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগের ঢাকা লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের কয়েকটি স্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসব ঘটনায় গত ১৪ নভেম্বর রাতে গোপালগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ছেলে শেখ নাইমকে প্রধান আসামি করে ৬৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় ২৫০ জনসহ ৩১৮ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ মামলায় পুলিশ বাদী হয়েছে। আসামিদের মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওসি মো. শাহ আলম বলেন, গত ১৩ নভেম্বর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিজয়পাশায় মহাসড়কে গাছ ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ ঘটনায় ১৫ নভেম্বর রাতে গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই আব্দুল কুদ্দুস বাদি হয়ে ৩২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয় ২২০ জনকে আসামি করে ১৫ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন।
কোটালীপাড়া থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, কোটালীপাড়া থানায় গত ১৪ নভেম্বর দায়ের করা মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পরিচয় ৪০ জনসহ মোট ৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে এক জনকে শনিবার ও অপরজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
কাশিয়ানী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, গত ১৫ নভেম্বর রাতে ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় ২০০ জনসহ ২৮৪ জনকে আসামি করে সন্ত্রস বিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে।
তিনি বলেন, এ মামলার আসমি গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এখনও কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।