Published : 20 Oct 2025, 11:27 PM
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রটির কর্মকর্তারা।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেছেন, রোববার সকালে বয়লার পাইপ ফেটে যাওয়ায় এক নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
তৃতীয় ইউনিট বন্ধের পর এক নম্বর ইউনিট থেকে দিনে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
এর আগে গত ১৬ অক্টোবর সকালে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।
প্রধান প্রকৌশলী বলেন, তৃতীয় ইউনিটের গভর্নর ভাল্বের ‘স্টিম সেন্সরের’ চারটি টারবাইন অকেজো হয়ে পড়েছে।
“তবে দুটি ইউনিটই পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে এবং উৎপাদনে ফিরতে কমপক্ষে এক সপ্তাহ সময় লাগবে।”
তিন ইউনিটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে দুটি ইউনিটের সক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে। আরেকটির উৎপাদন সক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট। তবে গত ১৫ বছরে একসঙ্গে তিনটি ইউনিট কখনো উৎপাদনে যেতে পারেনি।
২০২০ সালের শেষভাগ থেকেই ১২৫ মেগাওয়াটের দুই নম্বর ইউনিটটি বন্ধ আছে।
মূলত ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট থেকে ১৭০-১৮০ মেগাওয়াট এবং ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে উৎপাদিত ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হত।
এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের পুরোটাই জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হয়। তাই এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিঘ্নিত হলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় প্রভাব পড়ে।