Published : 03 Dec 2025, 01:48 PM
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের হিমাগারে থাকা ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ অবশেষে সৎকার করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
বুধবার সকালে শরীয়তপুর পৌরসভার মনোহরবাজার শ্মশানঘাটে মরদেহটি দাহ করা হয় বলে শরীয়তপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুধীপ্ত ঘোষ জানিয়েছেন।
প্রায় ৭ মাস ধরে মরদেহটি সদর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা ছিল বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ওই ভারতীয় নাগরিক হলেন- ভারতের দিল্লি প্রদেশের দিলিপের ছেলে ৬৩ বছর বয়সী রাজন। তিনি কোন জেলায় থাকতেন, তা জানা যায়নি।
শরীয়তপুর কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, রাজনকে ২০২২ সালের ২৫ অগাস্ট জাজিরা উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলা দায়ের হলে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত।
সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি আর পি বন্দি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। গত ১৮ মে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর থেকেই তার মরদেহ সদর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছিল। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহটি সৎকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের (ভারপ্রাপ্ত) আরএমও আকরাম এলাহী বলেন, “রাজন নামের একজন কয়েদিকে আমাদের সদর হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
“ওইদিন থেকে প্রায় সাত মাস ধরে মরদেহটি আমাদের সদর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা ছিল। মঙ্গলবার তার লাশ জেলা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।”
শরীয়তপুরের জেল সুপার বজলুর রশিদ বলেন, “দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের সভার মাধ্যমে রাজনের মরদেহ সৎকার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে মোতাবেক আমরা তার লাশটি সনাতন ধর্মীয় নিয়ম মেনে সৎকার করেছি।”