১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
হাসপাতালে ঘুমের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।
“সম্প্রতি এই মহাশ্মশানটি ঘোষগাতি মহাশ্মশান নামকরণ করা হয়। এরপর থেকে দায়িত্বে নিয়োজিতরা এখানে সৎকারে বাধা দিচ্ছে।”
“দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের সভার মাধ্যমে রাজনের মরদেহ সৎকার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”
ময়নাতদন্তের পর শনিবার বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় পরিবারের কাছে। শেষবার দেখতে শনিবার সন্ধ্যায় সবুজবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরে সৎকারে ভিড় করেন বহু মানুষ।
“আমার ভাই কীভাবে মরলো, এখনো কিছুই জানি না,” বলেন ভারতী সরকার।
দুই বছরের অধিক সময় ধরে শরীয়তপুর হাসপাতালে থাকা মরদেহ দুটির জন্য সরকারকে গুনতে হয়েছে প্রায় ২৪ লাখ টাকা।