Published : 14 Aug 2025, 10:31 PM
সমালোচনার মুখে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার হিসাবে নিয়োগের চারদিনের মাথায় পদত্যাগ করলেন উপাচার্যের ছেলে ফাতিন ইলহাম বিন পেয়ার।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ মেনে নিতে না পেরে পারিবারিকভাবে পদত্যাগ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তার বাবা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক পেয়ার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি বলেন, “আমার ছেলে ফাতিন বাংলাদেশের নাগরিক। ৯ আগস্ট স্বচ্ছভাবে তার নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছে। তারপরও যেহেতু স্বজনপ্রীতির প্রশ্ন উঠেছে, পারিবারিক সিদ্ধান্তমতে ১৩ আগস্ট ছেলে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে। তার স্থলে প্যানেলে থাকা পরবর্তী প্রার্থীকে নিয়োগ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট ছিলেন না। তার ছেলে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েই স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
এর আগে ১৮ মার্চ ১৫ ক্যাটাগরির ৩৪ পদে সংশোধিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তির সাত নম্বরে থাকা মেডিকেল অফিসার পদে আবেদন করেন ২৩ জন। তাদের মধ্যে দুইজনের আবেদন বাতিল হয়। কাগজপত্র যাচাই শেষে প্রাথমিকভাবে যোগ্য ২১ জনের মধ্যে ১৮ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ৯ আগস্ট লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে ১০ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।
তাদের মধ্যে থেকে পেয়ার আহমেদের ছেলে ফাতিন ইলহাম বিন পেয়ারকে নিয়োগ মেডিকেল অফিসার পদে দেওয়া হয়। পরে এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে সমালোচনা শুরু হয়।
এছাড়া ফাতিন বেসরকারি এমএইচ শমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। কিন্তু ওই পদে প্রার্থী হিসেবে সরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করা প্রার্থীরাও ছিলেন। তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেওয়াকে ঘিরেও অনেকে প্রশ্ন তোলেন।