Published : 18 Apr 2026, 07:07 PM
রাঙামাটি সদর উপজেলায় ইউপিডিএফ নেতা ধর্মসিং চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের ভগ্নিপতি বল ভদ্র চাকমা মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি জসীম উদ্দিন।
ধর্মসিং চাকমা ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সহসভাপতি ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যা মামলায় ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার কুতুকছড়ি আবাসিক এলাকার বাসায় ধর্মসিং চাকমাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় তার দুই বোনও গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, সকালে একটি সশস্ত্র দল তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। ধর্মসিং চাকমা পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। আহত দুই বোনকে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি জিকো ত্রিপুরা ও সাধারণ সম্পাদক বরুন চাকমা এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
তবে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শুক্রবার বিকালে ধর্মসিং চাকমার দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। হত্যার প্রতিবাদে ইউপিডিএফ কর্মীরা রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন।
২০১৮ সালের ১৮ মার্চ কুতুকছড়ি এলাকায় ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের দুই নেত্রী অপহরণের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হলেও পালিয়ে যান ধর্মসিং চাকমা। সে বার প্রাণে বাঁচতে পারলেও ৮ বছর পর গুলিতে নিহত হলেন তিনি।