Published : 18 Jun 2026, 06:03 PM
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক নারীকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পাগলা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী’ নারীর মা বাদী হয়ে বুধবার রাতে চারজনের নাম দিয়ে আজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। রাতেই মামলার প্রধান আসামি সাহাব উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার সাহাব উদ্দিন পাগলা থানার বাসিন্দা।
মামলায় বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে স্বামী-সন্তানকে নিয়ে এক ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন ওই নারী। তখন আসামিরা দরজার কড়া ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। শব্দ শুনে স্বামী-স্ত্রী দুজনই ঘুম থেকে উঠে যান। তখন স্বামী চিৎকার করলে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে মারধর করা হয়।
তখন ওই নারীকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তার মুখ বেঁধে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় বলা হয়েছে।
একপর্যায়ে ওই নারী চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। তখন আসামিরা পালিয়ে যায়।
‘ভুক্তভোগী’ নারীর স্বামী বলেন, “আটজন মুখ বাঁধা অবস্থায় ঘরে ঢুকে আমার হাত-পা ও মুখ বেঁধে মারধর করে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায়।”
মামলার বাদী বলেন, “আমি অসহায় মা। আমার স্বামী আছিন প্রতিবন্ধী, মইরা গেছে। মায়াডারে লইয়া থাকতাম। যারা আমার মায়াডার সর্বনাশ করছে, তাগর কঠিন বিচার চাই।”
পাগলা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, “ওই নারীর ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতির জন্য আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। কেন এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’