Published : 17 Jul 2026, 03:45 PM
গাজীপুরের জয়দেবপুরে চেতনানাশক মেশানো দই খাইয়ে এক নারী ও তার কিশোরী মেয়েকে অচেতন করার পর কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুর নগরীর কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি মো. রাশিদুল পালোয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জয়দেবপুর থানার এসআই মাইকেল বণিক জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তার ৪৫ বছর বয়সী রাশিদুল জয়দেবপুর থানার বাড়িয়া ইউনিয়নের আড়গড়িয়া এলাকার বাসিন্দা।
এসআই মাইকেল বলেন, “বাদীর বড় ছেলের সঙ্গে মামলার অসামিদের দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে এবং তারা একসঙ্গে মাদক সেবন করত। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ৭ জুলাই গভীররাতে আসামিরা দইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে
জয়দেবপুর থানার বাড়িয়া ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামে ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়।
“পরে ভুক্তভোগীদের সেই দই খেতে দেয় এবং নিজেরা পাশের ঘরে আড্ডা ও মাদক সেবন করতে থাকে। দই খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মা ও তার কিশোরী মেয়ে অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।”
তিনি বলেন, “এই সুযোগে আসামিরা তাদের ঘরে ঢুকে এবং কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
“এরপর প্রতিবেশীরা অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।”
ঘটনার পরদিন ৮ জুলাই মেয়েটির মা বাদী হয়ে মো. রাশিদুল পালোয়ান এবং তার সহযোগী অভি কুমার দাসের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে গোপন খবরে অভিযান চালিয়ে রাশিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন এসআই মাইকেল।
অভিযানে জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়াও অংশ নেন।
এসআই মাইকেল বলছেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার অন্য আসামি অভি কুমার দাসকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।”