Published : 09 Aug 2024, 08:02 PM
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী ও চাটখিল থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।
অস্ত্রগুলো উদ্ধারে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন বলে লেফটেনেন্ট কর্নেল মো. আশরাফ উদ্দিন জানান।
সেনা কর্ম্মকর্তা মো. ইফতেখার বলেন, “স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় অস্ত্র উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।”
তিনি জানান, সোনাইমুড়ী থানার উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে- ছয়টি পিস্তল, পাঁচটি এসএমজি, একটি এলএমজি, ১৩টি শর্টগান, দুটি রাইফেল, তিনটি বন্দুক, একটি এয়ারগান ও দুটি স্মোকগান, দুটি চায়না এসএমজি, ২৭টি শর্টগানের গুলি।
চাটখিল থানা এলাকায় উদ্ধার অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে- একটি পিস্তল, চারটি এসএমজি, একটি এলএমজি, পাঁচটি শর্টগান পাঁচটি চায়না রাইফেল। এছাড়া আগুনে পুড়ে যাওয়া সাতটি এসএমজি, একটি এলএমজি, পাঁচটি রাইফেল, চারটি শর্টগান ও ১৩টি বন্দুক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার পতনের পর একদল লোক সোনাইমুড়ী বাইপাস এলাকায় জড়ো হয়ে আনন্দ উল্লাস করতে থাকেন। এক পর্যায়ে কয়েকজন লোক সোনাইমুড়ী থানায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এ সময় থানার ভেতর থেকে পুলিশ গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন। এরপর উত্তেজিত জনতা সংঘবদ্ধ হয়ে থানা ঘেরাও করে হামলা-ভাঙচুর চালালে অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন।
এ অবস্থা উত্তেজিত জনতা থানা ভবনে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় আরও শতাধিক লোক আহত হন। চার পুলিশসহ আট জন মারা যান। এ অবস্থার মধ্যে বিক্ষুব্ধ জনতা সোনাইমুড়ী থানা থেকে বেশ কয়েকটি অস্ত্র লুট করে নিয়ে যান।
একই দিন চাটখিল থানায় হামলা ভাঙচুর, অস্ত্র লুট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।