Published : 25 Jan 2025, 04:48 PM
মাদারীপুরের শিবচরে নিখোঁজের ১০ দিন পর যে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে; সোনার গহনা কেড়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করছে পুলিশ।
এ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাদারীপুরের এসপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন।
তিনি বলেন, বুধবার বিকালে শিবচর উপজেলার পাঁচ্চর ইউনিয়নের বৈকন্ঠপুর গ্রামের পরিত্যক্ত একটি ভিটা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ৭০ বছর বয়সি বৃদ্ধা ফজিলাতুন্নেছার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ফজিলাতুন্নেছা ওই গ্রামের মৃত্যু রহমান আকনের স্ত্রী।
মরদেহ উদ্ধারের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে সোহাগ হাওলাদার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারের সময় সোহাগের কাছ থেকে ওই বৃদ্ধার ব্যবহৃত সোনার গহনা, মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, নিহতের লাশ উদ্ধারের আগে ১৩ জানুয়ারি নিহতের মেয়ে রেখা শিবচর থানায় তার মায়ের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বৃহস্পতিবার একই গ্রামের হোগলার মাঠ এলাকার সোহাগ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে।
পরে তাকে আদালতে তোলা হয় জানিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, “সোহাগ আদালতে ১৬৪ ধারায় ফজিলাতুনেচ্ছাকে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।”
জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার সোহাগ মোবাইলে গেইম খেলার টাকা সংগ্রহের জন্য ফজিলাতুনেচ্ছার গলায় থাকা সোনার চেইন, কানের দুল ও মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই গলায় রশি বেঁধে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য পাশের একটি মেহগনি বাগানে বস্তাবন্দি করে ফেলে রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শিবচর সার্কেলের এএসপি আজমীর হোসেন, শিবচর থানার ওসি মো. রতন শেখ।