Published : 13 Apr 2026, 05:36 PM
নরসিংদীর সদর উপজেলার এক গৃহবধূর লাশ তার শ্বশুরবড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে পাঁচদোনা ইউনিয়নের চরমাধবদী এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন জানিয়েছেন।
নিহত ৩৫ বছর বয়সী মাহমুদা আক্তার পলাশ উপজেলার বারারচর এলাকার মজিবুর রহমানের মেয়ে এবং চরমাধবদী এলাকার বাবুল মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের বড় ভাই জালাল আহমেদ বলেন, “প্রায় ২০ বছর আগে মাহমুদার সঙ্গে বাবুলের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সংসারে অভাবের কারণে প্রায়ই মাহমুদাকে নির্যাতন করতো পঞ্চাশোর্ধ স্বামী বাবুল মিয়া। রোববার দুপুরে মাহমুদা স্থানীয় বাজারে কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার পর অসুস্থতার কথা জানিয়ে আমাদের কাছে ফোন করে।
“পরে আমাদের এক ভাইয়ের ছেলে মাহমুদার শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তার শারীরিক খোঁজখবর নেয় এবং সেবা-শুশ্রূষা করে। মাহমুদা কিছুটা সুস্থ অনুভব করলে সে ফিরে আসে। তবে সন্ধ্যার দিকে মাহমুদার ছেলে ভিডিও কলে আমাকে জানায়, মাহমুদা মারা গেছে। পরে স্বজনরা গিয়ে মাহমুদার শরীরে একাধিক নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পান।”
তিনি বলেন, “এ সময় মাহমুদার স্বামী বাবুল মিয়া, শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম, শাশুড়ি ও ননদসহ পরিবারের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাবুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা কলেও পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ রয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ওসি কামাল হোসেন জানিয়েছেন।