১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

লক্ষ্মীপুরে সড়কে অবৈধ ট্রাক্টর বন্ধের দাবি

পরে তারা ট্রাক্টর বন্ধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

লক্ষ্মীপুরে সড়কে অবৈধ ট্রাক্টর বন্ধের দাবি
অবৈধ ট্রাক্টর বন্ধের দাবিতে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী গ্রামের ভাঙাপোল এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Feb 2025, 11:35 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:54 AM

লক্ষ্মীপুর সদরে গ্রামীণ রাস্তাঘাটসহ ফসলি জমি বিনষ্টকারী অবৈধ ট্রাক্টর বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। 

বুধবার বিকালে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের চররমনী গ্রামের ভাঙাপোল এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন হয়। 

এতে স্থানীয় কৃষক, জেলে, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন। পরে তারা ট্রাক্টর বন্ধে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। 

এদিকে ওই এলাকায় ট্রাক্টর বন্ধে মঙ্গলবার এলাকাবাসী দাবি তুললে স্থানীয় মেসার্স ইকবাল ব্রিকস ম্যানুফেকচারিংয়ের মালিক কামাল উদ্দিন ইকবাল শ্রমিকদের দিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে। 

তবে কামাল উদ্দিন ইকবাল এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবদলের সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন সরকার, চররমনী মোহন ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক ভুট্টু কাজী, যুবদল নেতা আক্তার করাতিসহ স্থানীয় লোকজন।   

বক্তারা বলেন, অবৈধ ট্রাক্টর ইটভাটার মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে এলাকার রাস্তাঘাট বিনষ্ট হচ্ছে। কাদিরার গোজা থেকে করাতিরহাট বাজার সড়কটি স্থানীয় কৃষকসহ এ অঞ্চলের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম। কিন্তু সড়কটিতে প্রতিনিয়ত ট্রাক্টর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এতে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। 

এ ছাড়া সড়কে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন ক্যাম্পের খালের উপর একটি জরাজীর্ণ ব্রিজ রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটির ওপর দিয়েও মাটিবাহী ট্রাক্টর ট্রলি চলাচল করে। এতে যেকোনো সময় ব্রিজটি ভেঙে পড়তে পারে। ট্রাক্টর চলাচল বন্ধ না হলে কাঁচাপাকা সড়ক আরও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 

এ ছাড়া ট্রাক্টরের মাধ্যমে এলাকার ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটাগুলো। সড়ক এবং ব্রিজটি রক্ষায় ট্রাক্টর বন্ধে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। 

এ ব্যাপারে জানতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদ আলম রানার মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।