Published : 16 Apr 2026, 06:41 PM
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় একটি ফেরিঘাটের ইজারাদারের ছেলের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার ‘সামরাজ মৎসঘাট’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইজারাদার আবদুল গনি সিকদার বাদী হয়ে যুবদল কর্মী আল আমিন সিকদারসহ ছয়জনকে আসামি করে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হযরত আলী হিরণ বলেন, মামলাটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
হামলায় আহত ইজারাদার আবদুল গনি সিকদারের ছেলে ৩৫ বছর বয়সী বেলায়েত সিকদারকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার আসামি আল আমিন সিকদার চরফ্যাশন উপজেলার মাদ্রাজ ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য।
ইজারাদার আবদুল গনি বলেন, “দীর্ঘ অনেক বছর ধরে আন্তঃউপজেলা ফেরিঘাট ইজারা নিয়ে ট্রলারের মাধ্যমে মনপুরা উপজেলার চরনিজাম কালকিনি থেকে চরফ্যাশন উপজেলার মাদ্রাজ স্লুইজ পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন সেবা দিয়ে আসছি। এ বছরও সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করে ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখা থেকে ঘাটটির ইজারা পাই।
“মঙ্গলবার আমার ছেলে ও ট্রলার চালক বেলায়েত সিকদার মনপুরা উপজেলার চরনিজাম কালকিনি থেকে যাত্রী নিয়ে চরফ্যাশন উপজেলার মাদ্রাজ স্লুইজ ঘাটে পৌঁছালে আল আমিনের নেতৃত্বে ফারুক খলিফা, জাকির হোসেন মিয়াজী, সফিক গোলদারসহ অন্যান্যরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।”
আহত বেলায়েতের ভাষ্য, তিনি বৈধভাবে ঘাটের ইজারা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আল আমিন সিকদার তা অস্বীকার করে বলেন, “আমাকে নিয়ে একটি চক্র গভীর ষড়যন্ত্র করছে।”