৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়।
“স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”
“ছেলেকে বাঁচাতে বাবুল এগিয়ে গেলে তাকেও বেধরক পিটুনি দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।”
আটক ২১ বছর বয়সী মোহাম্মদ রাফিক এলাকায় ‘মাদকাসক্ত’ হিসেবে পরিচিত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আরিফ রেগে গিয়ে পাথরের শিল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদা বেগম মারা যান।
ছেলের শরীরে জখমের চিহ্ন দেখা গেছে এবং তার মরদেহের পাশ থেকে একটি ব্লেড উদ্ধার করেছে পুলিশ।
“আমাকে নিয়ে একটি চক্র গভীর ষড়যন্ত্র করছে।”
ঘটনাস্থলেই ওই নারী নিহত হন। আর ছেলেকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।