ফেনীতে তিনটি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার, ২ তরুণ গ্রেপ্তার
হনুমান তিনটিকে চট্টগ্রামের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজারের ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে পাঠানো হবে।
ফেনীর সদর উপজেলায় তিনটি মুখপোড়া হনুমানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থোয়াই অং প্রু মারমা।
গ্রেপ্তাররা হলেন- সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুন্সি এলাকার বাসিন্দা মো. সুজন উদ্দিন (২৪) এবং নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ডেলিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. শাকিল (২৫)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থোয়াই বলেন, খবর পেয়ে শনিবার মধ্যরাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সদর উপজেলার লালপুল এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
“তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির পেছনের অংশে বস্তা থেকে একটি বাচ্চাসহ তিনটি মুখপোড়া হনুমান উদ্ধার করা হয়। এসময় সুজন এবং শাকিলকে আটক করলে তারা বিপন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণীর ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো অনুমতি দেখাতে পারেননি।”
রোববার দুপুরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে তিনটি হনুমান হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ সুপার।
সামাজিক বন বিভাগ ফেনী সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ভৌমিক বলেন, “হনুমানগুলোকে চট্টগ্রামের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে পাঠানো হবে।”
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এর আগে ৭ অক্টোবর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওই এলাকায় একটি ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে দুটি মুখপোড়া হনুমান ও ১৬টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়।
এ সময় বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো অনুমতি দেখাতে না পারায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন
