Published : 23 Feb 2026, 04:29 PM
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় বাকপ্রতিবন্ধী এক নারী দল বেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার রাতে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভোলা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহীম।
বাকপ্রতিবন্ধী ওই নারী (২৫) এক সন্তানের জননী। রোববার দুপুরে তিনি চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ৯টার দিকে স্থানীয় অটোচালক রাকিব, শাকিল ও রাসেল পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে তাকে অটোরিকশায় তুলে নেয়।
পরে কীর্তনস্থলের পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তার মুখ চেপে ধরে এবং জোরপূর্বক চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরবর্তীতে একটি সুপারি বাগানে নিয়ে তাকে দল বেধে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, রাতের শেষভাগে জ্ঞান ফিরলে নিজেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
ভোলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক তৈয়বুর রহমান বলেন, “রোগীকে গুরুতর রক্তক্ষরণ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহীম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগীর রক্তমাখা পোশাক আলামত হিসেবে জব্দ করেছে। ভিকটিমের বর্ণনা অনুযায়ী একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িতরা স্থানীয় অটোচালক বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে এবং তাদের কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি।