ঘূর্ণিঝড় রেমাল: সুন্দরবনে মিলল ২৬ হরিণের মৃতদেহ
এ ছাড়া আরও আটটি হরিণকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বাগেরহাটের সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ থেকে ভেসে আসা আরও ২৪ হরিণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে সোমবার দুটি মৃত হরিণ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এ সময় ভেসে আসা আরও আটটি জীবিত হরিণ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।
বনবিভাগের খুলনা অঞ্চলের বনসংরক্ষক (সিএফ) মিহির কুমার দো সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা অভয়ারণ্যের জামতলা এলাকা থেকে ভেসে আসা মৃত ২৪টি হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে।
“উচ্চ জোয়ারের পানি সুন্দরবনে গহীনে উঠে যাওয়ায় হরিণগুলো ভেসে গিয়ে সাঁতরে কূলে উঠতে না পেরে মারা যেতে পারে বলে ধারণা করছি।”
বনসংরক্ষক বলেন, “ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবের দফায় দফায় উচ্চ জোয়ারে সুন্দরবনের সব নদীখাল উপচে বনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ে। এই জোয়ারের উচ্চতা ছিল ১০ ফুটের উপরে। ওই পানি দেখে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণীকূলের মৃত্যুর আশঙ্কা করছিলাম। দুইদিনে ২৬টি হরিণের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এতে বনবিভাগ উদ্বিগ্ন।”
মৃত হরিণগুলো কটকাতে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। আর জীবিত হরিণ বনে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানায় বনবিভাগ।
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উচ্চ জোয়ারের পানিতে রোববার থেকে দফায় দফায় সুন্দরবনের বিস্তৃীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এ সময়ে বাগেরহাটের প্রধান প্রধান নদনদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে জানিয়েছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড।
