Published : 01 Mar 2026, 10:07 AM
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনার আঁচ লেগেছে কুয়েতেও।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় আহত হয়ে অন্তত ১২ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম নামে ২৬ বছর বয়সী এক প্রবাসী বাংলাদেশিও রয়েছেন, তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায়। বর্তমানে তিনি ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ আহমদ আবদুল্লাহ আল-আহমদ আল-সাবাহ ফারওয়ানিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করে আহত নাগরিক ও প্রবাসীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন।
হাসপাতালে কর্মরত বাংলাদেশি প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. হুসেন জানিয়েছেন, আমিনুলের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার পর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তাড়াহুড়ো করে ছুটতে গিয়ে এবং ভিড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে অনেকে আহত হন।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জাবের হাসপাতাল, মুবারক আল-কাবীর এবং আদানি হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অধিকাংশের চোট গুরুতর না হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ট্রমা সেন্টারগুলোতে বাড়তি চিকিৎসক ও নার্স নিয়োজিত করা হয়েছে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নাগরিক সুরক্ষা বিভাগ দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।
সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কুয়েতের নিরাপত্তা বাহিনী। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে টহল বাড়ানো হয়েছে এবং যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নাগরিক সুরক্ষা বিভাগ বলছে, জনসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সব ধরনের পদক্ষেপ স্থানীয় প্রশাসন নিয়েছে।