Published : 06 Feb 2026, 09:58 PM
প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশের সঙ্গে সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার পর আবার শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশ সরে গেলে তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।
সেখানে তারা 'নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’সহ পুলিশকে কটাক্ষ করে নানা স্লোগান দিচ্ছিলেন।
এদিন বিকাল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে অবস্থান নেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
তাদের অবরোধে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে। আশপাশের সড়কে তৈরি হয় তীব্র যানজট।
এর মধ্যে রাত ৮টার দিকে আন্দোলনকারীদের কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লেও আন্দোলনকারীরা আশপাশের সড়কে অবস্থান নেন।
এরপর রাত ৯টা পর্যন্ত সেখানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে।
রাত ৯টার পর পুলিশ সরে গেলে ফের জড়ো হতে শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে নতুন করে এ আন্দোলন শুরু হয় বৃহস্পতিবার। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
একই দাবিতে শুক্রবার জুমার পর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে জমায়েতের ডাক দেয় সংগঠনটি।
বিকাল ৪টার দিকে সেই জমায়েত থেকে যমুনা অভিমুখে রওনা হলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে মঞ্চের নেতাকর্মীদের, রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের এলাকা। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শাহবাগ থেকে বাংলামোটর পর্যন্ত।
পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটার পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস ছুড়ে। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এরমধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেইজ থেকে জাবেরের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর দেওয়া হয়। যেটির বরাতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর পুলিশ তা অস্বীকার করে বার্তা পাঠায়।
পুলিশের মতো একই বক্তব্য এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফেও। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষ থেকেও বলা হয়, আহতদের মধ্যে তারা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কাউকে পায়নি।