Published : 23 Jun 2026, 09:31 PM
বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সেটা আদালতে নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং দলটি পুরোপুরি নিষিদ্ধ হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সেই বিচারের পর নির্ধারিত হবে।
“সেই পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯-এর অধীনে। এই দলটা যদি এখন কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে চায়, তারা একটা আইনভঙ্গকারী কাজ করছে। তারা (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে খুবই স্বাভাবিক।”
আওয়ামী লীগের আন্দোলন করার আর ‘নৈতিক সাহস নেই’ বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা এড়াতে এরইমধ্যে ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। সে প্রসঙ্গ ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, “সেনাবাহিনী দেওয়ার মানে এই না যে, তারা (আওয়ামী লীগ) অনেক কিছু করে ফেলতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি না আওয়ামী লীগের সেরকম নৈতিক সাহস আছে।
“একটা কথা বলি না, চোরের মায়ের বড় গলা? আওয়ামী লীগের বড় গলা হতে, আমাদের সবার মেমোরি শেষ হয়ে যাবে। তারপর কোনো দিন আওয়ামী লীগ আমাদের সঙ্গে বড় গলা করে কথা বলতে পারবে। এর আগে আমার মনে হয় না। নৈতিক সাহস যদি না থাকে...কিছু লুটপাটকারী, মাফিয়া, চোর-বাটপারের আসলে খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না।
“জুলাইয়ে এরকম বন্দুকের সামনে মানুষ দাঁড়াতে পেরেছিল, কারণ তাদের নৈতিক সাহসটা ছিল।”
আওয়ামী লীগকে দিয়ে ‘সেরকম কিছু হবে না’ মন্তব্য করে জাহেদ বলেন, “তারপরও সরকারের থেকে যেটা করা উচিৎ, যে কয়টা জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়েছে, সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে। এর মানে, এই না যে সরকার মনে করে আওয়ামী লীগ অনেক কিছু করতে পারে৷”