Published : 03 Feb 2026, 08:35 PM
সেনানিবাসে গানম্যান নিয়ে ঢোকার সময় বাধাপ্রাপ্ত হলে মিলিটারি পুলিশের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেছেন ঢাকা- ১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান।
ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ভিডিওর ওই ঘটনা মাসখানেক আগের।
মিলিটারি পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরায় ধারণকৃত সাড়ে ৭ মিনিটের ভিডিওটি মঙ্গলবার দুপুরে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেইসবুকে প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিএনপি সমর্থকদের ওয়ালে ওয়ালে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার ঘণ্টাখানেক পর নিজের ফেইসবুক পেইজে বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী।
সেখানে তিনি লিখেছেন, “বেশকিছু দিন আগে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার, সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সেনাবাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম নেয়।
“বিষয়টি ইতোমধ্যে সমাধান হওয়া সত্ত্বেও দুঃখজনকভাবে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই সমাধানকৃত ইস্যুকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। যাই হোক, উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ভুল বোঝাবুঝি আর না হয়, সে ব্যাপারে আমি সচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ।”
ভিডিওতে দেখা যায়, একজন মিলিটারি পুলিশ সদস্যের সঙ্গে বিতণ্ডার সময় এসএম খালিদুজ্জামান কয়েকবার বলেন, “দেশটাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন আপনারা। বিশৃঙ্খলা করছেন।”
মিলিটারি পুলিশ সদস্যের ফোন থেকে একজন সেনাকর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার সময় দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী বলেন, “আপনারা তো তারেক জিয়ার জন্য জিহ্বা দিয়ে চেটে রাস্তা পরিষ্কার করে ফেলতেছেন, তাহলে আমাকে কেন যেতে দেবেন না?”
মিলিটারি পুলিশের ধারণ করা ভিডিও কী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াত সমর্থকরা। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর থেকে কিছু জানানো হয়নি।
মূলত ভ্রূণতত্ত্ববিদ (এমব্রায়োলজিস্ট) এসএম খালিদুজ্জামান ঢাকায় বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় তার একটি হাসপাতালও রয়েছেন।