Published : 02 Sep 2025, 05:51 PM
নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে একটি কারখানা বন্ধের জেরে বিক্ষোভের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশ।
সংগঠনটির ভাষ্য, “পতিত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে যেভাবে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর নির্মমভাবে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, একইভাবে বর্তমানেও শ্রমিকদের উপরে গুলি চালানো হচ্ছে।”
মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ইপিজেডের এভারগ্রিন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত হাবিবুর রহমান ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি নিটিং কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়ের কাজীরহাট গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
গুরুতর আহত পাঁচজনকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিন শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক শামীম ইমাম, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক বিপুল কুমার দাস এক যুক্ত বিবৃতিতে অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
কারখানা বন্ধের পর উত্তরা ইপিজেডে সংঘর্ষ, শ্রমিক নিহত
আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে শ্রমিক ফেডারেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পাঁচজন শ্রমিক পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এর জন্য চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকসহ ছাত্র-জনতা প্রাণ দেয়নি।
“এসব ঘটনাসহ ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে যে, এই সরকার শ্রমিকসহ জনগণের সরকার নয়। তাই ব্যবস্থা বদল না করে শুধু সরকার পরিবর্তন করলে শ্রমিকসহ জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব নয়।”