Published : 10 Oct 2025, 09:28 PM
ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী নেওয়াজকে জুলাই আন্দোলনে এক শিক্ষার্থীকে ‘হত্যাচেষ্টার’ মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
ঢাকার মহানগর হাকিম পার্থ ভদ্র শুক্রবার তার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আতিকুল ইসলাম জানান, আলী নেওয়াজকে এদিন ওই হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোবেল মিয়া তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন।
সেখানে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার বাসায় ‘মব সৃষ্টি করে’ আলী নেওয়াজকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে সকাল ৬টায় তাকে দক্ষিণখান থানা থেকে উত্তরা পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়।
“এ আসামি গত বছরের ৪ অগাস্ট সকাল ১১টার দিকে মামলার এজাহারনামীয় আসামিদের সহযোগিতায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেন। তিনি ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।
“তার নাম-ঠিকানা যাচাই বাছাই প্রক্রিয়াধীন। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যাদিও যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিন পেলে পলাতক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তাকে কারাগারে আটক রাখা হোক।”
অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী সোলাইমান হোসেন জামিনের আবেদন করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আলী নেওয়াজকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ৪ অগাস্ট বেলা ১১টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার আজমপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৮)। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও পুলিশের হামলায় তিনি চোখে গুলিবিদ্ধ হন।
পরে ঢাকার চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতাল ও সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন মামুন। এ ঘটনায় গত ১৩ নভেম্বর উত্তরা পশ্চিম থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন তার বাবা আসান উল্লাহ।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২০৩ জনকে আসামি করা হয়।