এবি পার্টির নতুন চেয়ারম্যান মঞ্জু, সেক্রেটারি ফুয়াদ
নতুন নেতৃত্ব আগামী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে।
প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে ভোটের মাধ্যমে আমার বাংলাদেশ পার্টি- এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে মজিবুর রহমান ভুঁইয়া মঞ্জু ও আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
শনিবার দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের কাউন্সিল অধিবেশনের পর ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারি পদের ফলাফল ঘোষণার পাশাপাশি ২১ জন নির্বাহী পরিষদ সদস্যের নামও ঘোষণা করা হয় সে সময়।
শুক্রবার কাউন্সিলররা ভোট দেন। ভোটে মঞ্জু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও ফুয়াদ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। ভোটের ফলাফল ঘোষণা করে পার্টির নির্বাচন কমিশন।
নতুন নেতৃত্ব আগামী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে।
২০২০ সালের ২ মে এবি পার্টির আত্মপ্রকাশ ঘটে। দলটির সদস্য সচিব ছিলেন মঞ্জু। আর আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু ও যুগ্ম আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল দিদারুল আলম। মোট ২৮০৬ ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ১৬৮৯ জন। এর মধ্যে ৪৫টি ভোট বাতিল হয়।
চেয়ারম্যান পদে ১ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মঞ্জু। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এএফএম সোলায়মান চৌধুরী পেয়েছেন ২১১ ভোট আর দিদারুল আলম পেয়েছেন ৩৩ ভোট।
সারা দেশ থেকে আসা কাউন্সিলররা সশরীরে ও অনলাইনে ভোট দেন।
দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ২ হাজার ৮০০ জন কাউন্সিলর এই নির্বাচনে ভোট অংশ নেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
দেশে থাকা কাউন্সিলররা সশরীরে উপস্থিত হয়ে এবং প্রবাসী ও অসুস্থতাজনিত কারণে অনুপস্থিত কাউন্সিলররা অনলাইনে ভোট দেন।
চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারিসহ ২১ সদস্যের নির্বাহী কমিটি ভোটে নির্বাচিত হয়েছে।
অন্যরা হলেন- মোহাম্মদ আবদুল ওয়াব মিনার, জোবায়ের আহমেদ ভুঁইয়া, আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, আবদুল হক সুন্নি, নাসরিন সুলতানা, আনোয়ার সাহাত টুটুল, এ বি এম খালিদ হাসান, মো. আমিনুল ইসলাম, সাহাদাতুল্লাহ টুটল, মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, দিদারুল আলম, জাহাঙ্গীর কাশেম, খান আজম, আব্বাস ইসলাম খান, বি এম নাজমুল হক, মোহাম্মদ লোকমান, গোলাম ফারুক, আবুল বাসেত মারজান ও হেলাল উদ্দিন আহমেদ।
