Published : 05 Jun 2017, 05:59 PM
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয় ঘুমের সময় শরীরের তাপমাত্রা নামতে থাকে এবং ঘুম ভাঙার কয়েক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত দেহের তাপ কমই থাকে।
তাই আবহাওয়া পরিবর্তনে ঘুমের উপর প্রভাব ফেলে।
উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার প্রভাব: গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের জন্য মোটেও সহায়ক নয়। আরামদায়ক ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনের উপর আর্দ্র আবহাওয়া প্রভাব রাখে। অতিরিক্ত গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে শরীরের আর্দ্রতা বাষ্পে পরিণত হয়। ফলে গরম লাগে ও ঘুমে অস্বস্তি হয়।
এছাড়াও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে ছত্রাকের বিস্তার বেশি হয়। যা থেকে অ্যালার্জির সম্ভাবনাও বাড়ে।
যা করতে পারেন
- ঘরে আলো বাতাস চলাচলের ব্যাবস্থা করুন।
- খাওয়া ও ঘুমানোর সময়ের মাঝে যথেষ্ট সময় রাখুন। কারণ এটা হজমে ও শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখে।
- ঘুমের সময় পাতলা ও নরম পোশাক ব্যবহার করুন। ঘুমানোর জন্য প্রাকৃতিক তন্তু যেমন- লিনেন ব্যবহার করুন।
ঠাণ্ডা আবহাওয়ার প্রভাব: গবেষণায় দেখা গেছে, ঠাণ্ডা আবহাওয়া ঘুমের জন্য বিশেষ উপযোগী। ঘুমের জন্য ঘরের আদর্শ তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা এর চেয়ে কম হলে তা অনেক বেশি অস্বস্তিকর।
যা করতে পারেন
- শীতকালে ঘুমাতে যাওয়ার দুএক ঘণ্টা আগে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। এটা ঘুমের জন্য শরীরের আদর্শ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- ঠাণ্ডা যদি খুব বেশি হয় তাহলে অতিরিক্ত কম্বল ব্যবহার করুন, এতে আরামদায়ক ঘুম হবে।
আবহাওয়া পরিবর্তনের ক্ষতিকারক দিক
আবহাওয়ার পরিবর্তন শরীরে দীর্ঘ স্থায়ী ব্যথা তৈরি করতে পারেন। বিশেষ করে যাদের শরীরের সংযোগস্থলে ব্যথা রয়েছে তারা এইসময় অনেক বেশি ভোগান্তির শিকার হন।
যুক্তরাষ্ট্রের বস্টোনে অবস্থিত টাফট ইউনিভার্সিটির করা এবং একটি ডাচ গবেষণায় দেখা গেছে, ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বাড়ার সঙ্গে ‘আর্থ্রাইটিস’য়ের ব্যথার সম্পর্কে রয়েছে।
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কমলে, অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতা মাইগ্রেইনের ব্যথা সৃষ্টি করে। এসব ব্যথা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়।