Published : 05 Oct 2025, 07:10 PM
অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধের অংশ হিসেবে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় গবাদি পশুকে ৩০ লাখ টিকা দেওয়া হবে।
প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া এসব টিকার ২০ লাখ পাবে রংপুর ও গাইবান্ধা জেলা।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
গত সোমবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কিশামত সদর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের পর এর মাংস কাটাকাটি করেন।
শনিবার তাদের মধ্যে ১১ জনের অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দিবাকর বসাক।
এর আগে রংপুরের পীরগাছা, মিঠাপুকুর এবং কাউনিয়া উপজেলায় ৯ জন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগী পাওয়ার কথা জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রংপুর জেলার নয়টি উপজেলায় এরই মধ্যে ১ লাখ ৬৭ হাজার গরুকে অ্যানথ্রাক্সের টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানুষকে সচেতন করতে উঠান বৈঠক, পথসভা, প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা হয়েছে। জেলার ৩৬টি কসাইখানায় গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৩৬টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলছে, এ পর্যন্ত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২৬ হাজার ৪০০ গরুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আক্রান্ত গরু পুঁতে ফেলা, টিকাদান, মাইকিং, উঠান বৈঠক এবং লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ৫টি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জুনোটিক রোগ। আক্রান্ত গবাদি পশুর সংস্পর্শে এলে এই রোগ মানুষের মধ্যেও ছড়াতে পারে।