Published : 10 Jul 2026, 11:21 PM
চার মাসের কম সময়ের মধ্যে সাড়ে ৭০০ প্রাণহানি আর লাখের বেশি আক্রান্ত হওয়ার তথ্যই বলে দিচ্ছে, কতটা মারাত্মক আকারে ছড়িয়েছে হাম; এ রোগের দাপট কমার আগেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর প্রবণতা কম দেখা গেলেও জুন থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি বছর বর্ষাকাল শুরু হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রকট হতে শুরু করে।
তাছাড়া মশা ও এর আবাসস্থল ধ্বংসে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় প্রশাসনের ‘অপর্যাপ্ত উদ্যোগ’ আর ‘উদাসীনতাও’ ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে উসকে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।
এবারো সেদিকে ইঙ্গিত করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মশা নিধনের প্রচলিত পদ্ধতির বদলে ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে’ যেতে হবে। সেইসঙ্গে সাধারণ মানুষকেও এর সঙ্গে যুক্ত করে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুতে এক থেকে দুজনের মৃত্যু হলেও জুন মাসে প্রাণ গেছে ১৩ জনের। আর জুলাইয়ের প্রথম ১০ দিনে মারা গেছেন ছয়জন। সব মিলিয়ে ২৪ জনের প্রাণ গেছে এখন পর্যন্ত।
অপরদিকে চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে জানুয়ারিতে ১ হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে ৭১৪, জুনে ২ হাজার ৯০৭ এবং জুলাইয়ের ১০ দিনে ১ হাজার ৭১১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।
২০২৪ সালে এক লাখের বেশি আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৫৭৫ জন মারা যান। ২০২৫ সালে মোট ১ লাখের বেশি মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন, তার মধ্যে মৃত্যু হয় ৪১৩ জনের।

‘মৃত্যু ঝুঁকি বাড়বে’
দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের সামলাতে যখন হিমশিম খাচ্ছে, সেইসময়ে ডেঙ্গু রোগী বাড়লে সেখানে আরো চাপ বাড়বে। সেইসঙ্গে উভয় জটিলতায় ভোগা রোগীদের অবস্থা নিয়েও শঙ্কার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতাল একসময় কোভিড আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হলেও পরে ‘ডেঙ্গু ডেডিকেটেড’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এখন হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেখানে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের কেবল ভর্তি করা হচ্ছে। হাসপাতালটি হামের রোগীতে পরিপূর্ণ। ডেঙ্গু আক্রান্তদের সেখানে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না।
ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আসিফ হায়দার বলেন, “হাম নিয়ে তিনশর বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীদের ভর্তি করা হচ্ছে না।
“কারণ হামের রোগীর সঙ্গে অন্য রোগীদের ভর্তি করানো হলে তাদের মধ্যেও হাম ছড়াতে পারে। এটা আমাদের সিদ্ধান্ত নয়, সরকারি সিদ্ধান্ত। তারা নতুন করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বা আমাদের নির্দেশনা দিলে সেভাবে রোগী ভর্তি করানো হবে।”
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা জিয়াউল ইসলাম বলেন, হাম নিয়ে এ হাসপাতালে বর্তমানে ৩০ জনের বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য সেখানে আলাদা ওয়ার্ড রয়েছে।
“আমরা প্রস্তুত রয়েছি। ডেঙ্গু রোগী আসলেই ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হবে। বর্তমানে ডেঙ্গু নিয়ে দুইজন ভর্তি রয়েছেন।”
হামের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন।
তিনি বলেন, “কারো হাম হওয়ার পর ডেঙ্গু হলে স্বাভাবিকভাবে অন্যদের তুলনায় শারীরিকভাবে বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে।”
মৃত্যু ঝুঁকি এবং হাসপাতালে রোগীদের ভিড় কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়ে মুশতাক হোসেন বলেন, তাতে শুরুতেই রোগ শনাক্ত করা যাবে এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুসারে চিকিৎসক পরামর্শ দেবেন। প্রয়োজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীরা যেন সঠিক চিকিৎসা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।
“এসব না করা গেলে শহরের বড় হাসপাতালগুলোতে প্রচুর ভিড় হবে। এতে চিকিৎসা সেবা যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়াবে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের দেশের হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা খুবই কম। এর মধ্যে অনেক শয্যায় রয়েছে হামের রোগী। আবার যদি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়, তাহলে দেশের স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় ভয়াবহ সংকট দেখা দিতে পারে।
“আগে থেকেই সরকারের ডেঙ্গু মোকাবিলায় সর্বোচ্চ কাজ করতে হবে। কারণ ডেঙ্গু বেড়ে গেলে বর্তমান জনবল এবং চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না।”

কতদূর গড়াবে ডেঙ্গু
প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ে। এবারো জুলাই-অগাস্ট মাসে অন্য সময়ের তুলনায় ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবার ডেঙ্গুর ঝুঁকি সংক্রান্ত কোনো জরিপ এখনো করেনি।
তবে গত ৪ জুন নগর ভবনে ডেঙ্গু ঝুঁকি জরিপের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, দক্ষিণ সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিই ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ড ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’।
এ পরিস্থিতিতে গত ৭ জুন থেকে ওই ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ দিনের বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ পরিচালনা করে সংস্থাটি। এ ছাড়া ঢাকা এবং ঢাকার বাইরের জরিপে বিগত বছরের তুলনায় বেশি মাত্রায় এইডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেছেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এবার বিগত বছরের তুলনায় বেশি বিআই সূচক পাওয়া গেছে। এসব থেকে বর্ষা মৌসুমে এইডিস মশার জন্ম নেবে। তাই আগামী দুই মাসে ডেঙ্গুর অবস্থা খারাপ পর্যায়ে যেতে পারে।

বরাদ্দ বাড়লেও স্থায়ী সমাধান নেই
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে নগর কর্তৃপক্ষ বরাদ্দ বাড়ালেও স্থায়ী বা কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায় কোনো বছরই।
ঢাকার এ দুই সিটিতে মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যয় বছরে ১০০ থেকে ২০০ কোটি টাকার মধ্যে রয়েছে।
ডিএনসিসির মশা নিয়ন্ত্রণ বাজেট ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৯ দশমিক ৩০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রায় ১৮৭ দশমিক ৭৫ কোটি টাকায় পৌঁছায়।
ডিএসসিসি ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ খাতে ৩০ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিল, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৪৬ দশমিক ২৫ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৯ শতাংশ বেড়ে ৫৩ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা হয়। সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আরো বাড়িয়ে ৫৭ দশমিক ৪৪ কোটি টাকা ধরা হয়েছে মশা নিয়ন্ত্রণে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্প্রতি দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা জনসম্পৃক্ততা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে গত ৬ জুন দেশব্যাপী কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে দুই সিটিতেই তিন মাসের জন্য মশা নিধন ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়।
গুলশানে কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছিলেন, বাসাবাড়িতে ক্যাম্পিং ও সভা-সমাবেশের পাশাপাশি তিন মাস ধরে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর জন্য দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সিটি করপোরেশনের সেবা চালু থাকবে।
তিন মাস মশা নিধন কার্যক্রম উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সরোবরে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর দুই মাস আগের আগাম সতর্কবার্তা অনুযায়ী সিটি করপোরেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের ঘোষণা দেন ডিএসসিসি প্রশাসক। সে অনুযায়ী গত ৫ জুলাই দক্ষিণ সিটির ১০টি অঞ্চলে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সচেতনতামূলক র্যালি ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সমাধানের উপায় কী?
দীর্ঘদিন একই ওষুধ ব্যবহারের ফলে মশা নিধনে এর কার্যকারিতা কমে আসার কথা বলছেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান।
গত ৩ জুলাই বনানীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, “ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে নতুন ওষুধ আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের বাসায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
তবে ডিএনসিসি নিজস্বভাবে কোনো লার্ভা জরিপ পরিচালনা করেনি বলে জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কীট নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসিফ ইকবাল।
তিনি বলেন, “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নিয়মিত সার্ভেইল্যান্স রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে লার্ভিসাইড হিসেবে ‘টেমেফস’ এবং অ্যাডাল্টিসাইড হিসেবে ‘ম্যালাথিয়ন’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া ‘নোভালিউরন’ ট্যাবলেটও ব্যবহার করা হচ্ছে।”
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নতুন করে ‘বিটিআই’ ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হলেও এখনো তা শুরু না হওয়ার কথা তুলে ধরে আসিফ ইকবাল বলেন, “নতুন অর্থবছরে ক্রয়প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিটিআই ব্যবহার শুরু করা হবে। ক্রয়ের দায়িত্ব ভাণ্ডার বিভাগের, আর পুরো প্রক্রিয়ায় সাধারণত তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগে।
“হাতে পাওয়া মাত্রই এটি মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করা হবে।”
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বলেন, “স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিবেশ অধিদপ্তর মিলে মশা নিধনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মশক নিধন করা সম্ভব হবে।

কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, “মশা নিধনের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী হলো স্থানীয় বা সাধারণ মানুষদের যুক্ত করা। এটি ছাড়া কোনোভাবেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
“সব মানুষ সচেতন হয়ে যদি নিজ বাসা এবং আশেপাশে এইডিস মশার বাসস্থান ধ্বংস করে ফেলে, তাহলে ডেঙ্গু সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।”
গত বছরের তুলনায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে ‘ভালো’ মনে করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
তার কথায়, “কারণ বিগত দুই মাস ধরে ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংস করতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। এখন পর্যন্ত সেটি চলমান রয়েছে।
“উপজেলা পর্যায়ে পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগের ভালো চিকিৎসার জন্য ডাক্তারদের প্রস্তুত ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রচার করছি। আমাদের যে প্রস্তুতি রয়েছে তাতে আমরা ভালোভাবে ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে পারব বলে আশা করছি।”