সঞ্জয় দত্ত: সিনেমার মতো এক জীবনের ৬৩ বছর পার

বলিউডে সঞ্জয় দত্তই একমাত্র অভিনেতা, তার জীবদ্দশায় তাকে নিয়ে ‘বায়োপিক’ নির্মাণ হয়েছে।

হোমায়রা হকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 July 2022, 04:19 PM
Updated : 28 July 2022, 04:19 PM

তারকা দম্পতির ঘরে জন্ম, তারপর মাদকে উন্মাতাল, নারীসঙ্গে বেসামাল, দাগি আসামি হয়ে কারাগারের অন্তরাল- সিনেমার সঞ্জয় দত্তের নিজের জীবনটাও যেন এক সিনেমা।

নার্গিস-সুনীল দত্তের এই সন্তানের জীবনের শুরুটা মসৃণই ছিল, কিন্তু তিনি নিজেই সেই জীবনকে পিচ্ছিল করেছেন, সেই পথে পা হড়কেছেন, উঠে দাঁড়িয়েছেন, আবার পড়েছেন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। এভাবে চড়াই-উৎরাইয়ে বৈচিত্র্যময় সেই জীবনের ৬৩ বছর পূর্ণ হচ্ছে শুক্রবার।

অসংখ্য নারীর সঙ্গে প্রেম, তিনবার বিয়ের পর এখন জীবনে অনেটাই থিতু সঞ্জয়। ক্যান্সার জয়ের পর স্ত্রী মান্যতা ও দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে সংসারেই ব্যস্ত তিনি। তার প্রথম স্ত্রী প্রয়াত রিচা শর্মার ঘরেও একটি মেয়ে রয়েছে।

সঞ্জয়ের জন্ম ১৯৫৯ সালের ২৯ জুলাইয়ে মুম্বাইয়ে। নার্গিস আর সুনীল দত্তের তিন সন্তানের বড় তিনি, তার ছোট বোন প্রিয়া দত্ত ও নম্রতা দত্ত।

সঞ্জয় দত্তের পর্দায় আসা ‘রেশমা অর শেরা’ চলচ্চিত্রে শিশু শিল্পী হিসেবে, তবে সেটি তার স্মৃতিতে স্মরণীয়, কারণ তাতে কাজ করেছিলেন বাবা সুনীল।

ছেলেবেলা থেকেই দূরন্ত সঞ্জয়ের কাছে পড়াশোনার চাইতে অভিনয়কেই সহজ মনে হত। নয় বছর বয়সেই প্রথমবার সিগারেটের স্বাদ নিয়েছেন। রোমান্টিক, কমেডিসহ নানা ঘরানায় কাজ করলেও তিনি সুপরিচিতি অ্যাকশনধর্মী কাজে।

গত শতকের আশির দশক থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ১৮৭টি সিনেমা তিনি করেছেন। তবে ক্যারিয়ারে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন আশি ও নব্বইয়ের দশকে।

সঞ্জয় জীবনে কিছু না করলেও তাকে সবাই চিনত কিংবদন্তি অভিনেত্রী নার্গিসের কিংবা অভিনেতা-রাজনীতিক সুনীল দত্তের সন্তান হিসেবে। কিন্তু তা ছাপিয়ে তার জীবনের উত্থান-পতনই হয়ে উঠেছে চলচ্চিত্রের উপাদান, জীবদ্দশাতেই তার জীবন নিয়ে হয়েছে সিনেমা। আর নায়ক সঞ্জয় দত্তের মতো রুপালি পর্দায় তার বাস্তব জীবনও লুফে নিয়েছে দর্শককূল, অর্থাৎ সিনেমা সুপারহিট।

পর্দায় সঞ্জয় দত্তের ভূমিকা যিনি রূপায়ন করেছেন, সেই রনবীর কাপুরের সঙ্গে সঞ্জয় দত্তের সিনেমা শমসেরা সদ্যই মুক্তি পেয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা রণবীর তেমন একটা ঝলক দেখাতে পারেননি বলে দর্শক-সমালোচকদের বলে এলেও খলনায়কের চরিত্রে আছেন ‘সঞ্জু বাবা’ দর্শকদের মন ভরিয়েছেন অভিনয় গুণে এবং ক্যান্সারের অন্তিম পর্যায় থেকে ফিরেই এই সিনেমা উপহার দেওয়ার কারণে।

সিনেমার সেকাল-একাল

পর্দায় সঞ্জয়ের নায়ক হিসেবে অভিষেক ১৯৮১ সালে, টিনা মুনিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘রকি’ সিনেমা দিয়ে। পথটি করে দিয়েছিলেন বাবা সুনীল দত্তই। তিনি এই সিনেমার পরিচালক ছিলেন। বক্স অফিসে সুপারহিট হয় ‘রকি’।

ক্যান্সারের কাছে পরাজিত হওয়ায় ছেলের সাফল্য অবশ্য দেখে যেতে পারেননি নার্গিস। ‘রকি’র প্রিমিয়ারে প্রেক্ষাগৃহে মায়ের সম্মানে একটি আসন খালি রেখেছিলেন সঞ্জয়।

মা ‘মাদার ইন্ডিয়া’ নার্গিসের বড় প্রভাব ছিল সঞ্জয়ের ওপর, তাই তার মৃত্যু ছেলের জীবন অনেকটাই এলোমেলো করে দিয়েছিল।

এর মধ্যেই পরের কয়েক বছরে ‘বিধাতা’, ‘ম্যায় আওয়ারা হু’, ‘জান কি বাজি’, ‘ইমানদার’, ইনাম দশ হাজার’, ‘ইনসান হ্যায়’, ‘ জিতে হ্যায় শান সে’, ‘ মার্দোওয়ালি বাত’, ‘ইলাকা’, ‘হাম ভি ইনসান হ্যায়’, ‘কানুন আপনা আপনা’, ‘তাকতাওয়ার’ এমন কিছু সিনেমা করেন সঞ্জয়। তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ১৯৮৬ সালে মহেশ ভাটের ‘মান’।

অ্যাকশন হিরো হিসেবে পরিচিতি পেলেও অভিনেতা হিসেবে নাম সেভাবে ‍কুড়াতে পারেননি তখনও। মাদকাসক্তিও ছিল তার অভিনয় প্রতিভা বিকাশের অন্তরায়।

এর মধ্যে ১৯৯১ সালে মুক্তি পেলে ‘সাজন’, মুখচোরা এক কবির ভূমিকায় সঞ্জয়কে নতুন করে চিনল দর্শক। মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে সাজনের পর পূজা ভাটের সঙ্গে ‘সড়ক’ও সুপারহিট। সঞ্জয়ের নাম তখন দর্শকদের মুখে মুখে। এর মধ্যে শ্রীদেবীর সঙ্গে ‘গুমরাহ’ও প্রশংসিত।

এরপর এল ‘খলনায়ক’, মাধুরীর সঙ্গে এই সিনেমা মুক্তির সময়ই জীবনেও ‘খলনায়ক’ হয়ে ওঠেন সঞ্জয়। বেআইনি অস্ত্রসহ তিনি গ্রেপ্তার হলেও সিনেমাটি হয়ে ওঠে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যবসা সফল সিনেমার একটি। সাজনের পর খলনায়কের জন্যও ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেতার মনোনয়ন পান তিনি।

১৯৯৭ ও ১৯৯৮ সালে হিট থ্রিলার সিনেমা ‘দৌড়’ এবং সাইকো থ্রিলার সিনেমা “দুশমন’ সঞ্জয়কে সামনে আনে অভিনয়ের জন্য।

সঞ্জয় তার জীবনের তুমুল সাফল্যের বছর মনে করেন ১৯৯৯ সালকে। তার অভিনীত ‘কার্তুজ’, ‘খুবসুরাত’, ‘হাসিনা মান যায়েগি’, ‘দাগ: দ্য ফায়ার’ এবং ‘বাস্তব: দ্য রিয়েলিটি’ - এই পাঁচ পাঁচটি সিনেমাই ছিল বছরের সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা।

২০১২ সালে ‘অগ্নিপথ’ সিনেমার রিমেকে সঞ্জয় দত্ত খলনায়কের চরিত্র ‘কাঞ্চা’ করে আবারও নাড়া দেন।

এরপর দীর্ঘসময় উল্লেখ করার মতো কাজ ‘সঞ্জু বাবা’ করেননি। এর মধ্যে ২০২০ সালে তার শরীরে বাসা বাঁধে ক্যান্সার। দেশ-বিদেশের চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে আবারও ফেরেন সিনেমায়।

২০২২ সালে ‘কেজিএফ ২’ দিয়ে দক্ষিণী সিনেমায় আত্মপ্রকাশ এই অভিনেতার। এই সিনেমায় খলনায়ক আধিরার চরিত্রের মাধ্যমে সাঞ্জুবাবা নিজেকে অভিনয় জগতের চৌকস খেলোয়াড় হিসেবে প্রমাণ করেন।

মুন্না ভাই সিরিজের তৃতীয় সিক্যুয়াল মুক্তি পেতে পারে চলতি বছরের অক্টোবরে। এ ছাড়া ‘দ্য গুড মহারাজা’, ‘ঘুড়চাড়ি’ ‘ব্লকবাস্টার’ আছে এ বছরেই মুক্তির অপেক্ষায়।

সঞ্জয়ের জীবনগল্প নিয়ে করা বায়োপিক ‘সঞ্জু’ ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম ব্যবসাসফল সিনেমা। দেড়শো কোটি রুপি খরচ করে বানান সিনেমাটি তুলে আসে ৮৮০ কোটি রুপি।

এত সাফল্যের বাইরেও রয়েছে বহু ব্যার্থতা। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়া তার সিনেমাগুলোর মধ্যে আছে ‘ভূমি’, ‘সাহেব, বিবি অউর গ্যাংস্টার ৩’ ‘পানিপথ’, ‘কলঙ্ক’, ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সঞ্জয়ের অর্জন দুটি ফিল্মফেয়ার, দুটি স্টার স্ক্রিন এবং দুটি আইফা আওয়ার্ড। পেয়েছেন একটি গ্লোবাল ইন্ডিয়া ফিল্ম আওয়ার্ড, তিনটি স্টারডাস্ট আওয়ার্ড, দুটি জি সিনে আওয়ার্ড এবং একটি বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন আওয়ার্ডসহ আরও পুরস্কার।

২০১২ সালে ফিল্মফেয়ার ‘ভারতীয় চলচিত্রের ১০০ বছর’ সংস্করণে তার অভিনীত সিনেমা সর্বোচ্চ উপার্জনকারী শীর্ষ ২০ চলচিত্রের তালিকায় জায়গা দেয়।

আর ব্লকবাস্টার হিট অ্যাকশন ক্রাইম থ্রিলার ‘বাস্তব: দ্য রিয়েলিটি’ কে বলা যেতে পারে সঞ্জয়ের ‘টার্নিং পয়েন্ট’। এই সিনেমা দিয়ে প্রথম সঞ্জয় জিতে নেন ফিল্মফেয়ারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার। ‘মিশন কাশ্মির’ সিনেমা মুক্তির পর সঞ্জয় দাওয়াত পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনে।

অস্ত্র রাখার দায়ে জেল খেটে বেরিয়ে আসার পর ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ দিয়ে নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরেন সঞ্জয়। এই কমেডি সিনেমা জাতীয় পুরস্কার পায়, সঞ্জয়ও পান ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।

২০০০ সাল থেকে এখন অব্দি বক্স অফিসে মোট আটটি সিনেমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আছে ‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’ যা সিলভার জুবলি স্ট্যাটাস অর্জন করেছে এবং সারা ভারত জুড়ে চলেছে ২৫৭টি স্ক্রিনে। এছাড়া এটি ছিল বাবা সুনীল দত্তের সঙ্গে তার শেষ কাজ।

সে সময়ে সঞ্জয় ‘জোড়ি নম্বর ওয়ান’, ‘কাঁটে’, ‘পিতা’র মতো জনপ্রিয় সিনেমাগুলোও করেছেন। সাফল্য আসে ‘প্ল্যান’, ‘মুসাফির’, ‘পরিণীতা’, ‘দশ’ মুভিতেও। ‘শব্দ’এবং ‘জিন্দা’-তে অভিনয়ের জন্য কুড়ান সমালোচক প্রশংসাও।

২০০৬-এ চলে আসে ‘মুন্না ভাই’র সিক্যুয়াল ‘লাগে রাহো মুন্না ভাই’। ‘মুন্না ভাই’ সিরিজে কাজের সুবাদে তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কাছ থেকে একটি পুরস্কারও পান। এনডিটিভি ইন্ডিয়া ‘মুন্না ভাই’ চরিত্রটিকে বলিঊডের শীর্ষ ২০টি কাল্পনিক চরিত্রের একটি হিসেবে মূল্যায়ন করে। ২০১৬ সালে প্রযোজক বিধু বিনোদ চোপড়া ঘোষণা করেন এর তৃতীয় সিক্যুয়াল আসবে শিগগিরই।

বিতর্ক নিত্যসঙ্গী

মাত্র ২০ বছর বয়সেই নেশায় দুনিয়ায় পা রাখা এই নায়কের জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতার শেষ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি ড্রাগ রিহ্যাবিলিটিশন সেন্টারেও থাকতে হয়েছিল তাকে।

এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, “মায়ের যখন ক্যান্সারের চিকিৎসা চলে আমি তখন থেকেই মাদকাসক্ত। আমার মনে আছে, রকি সিনেমাটির সময়ে এতটাই আসক্ত ছিলাম যে একবার জুতার ভিতরে এক কিলোগ্রাম হেরোইন লুকিয়ে বিদেশে গিয়েছিলাম। আমার দুই বোনও সেই ফ্লাইটে আমার সঙ্গী ছিল। সে সময়ে এয়ারপোর্ট চেকিংয়ের এত কড়াকড়ি ছিল না।

“ঘটনাটি মনে করলে এখন ভয় লাগে। আমি ধরা পড়া পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু আমার বোনদের কী হত? মাদক এমনটাই করে। আপনি পরিবার বা অন্যকিছু নিয়ে চিন্তা করবেন না।”

তবে আসক্তি কাটিয়ে ওঠার পর হলিউড অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের বডি ফিটনেসে অনুপ্রাণিত হয়ে সঞ্জয় মনোনিবেশ করেন বডি ফিটনেসে।

১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বোমা হামলায় সঞ্জয়ের কাছে অস্ত্র পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়।

সঞ্জয় অবশ্য দাবি করেছিলেন, তার পরিবারের সুরক্ষার জন্য ‘সানাম’ চলচিত্রের প্রযোজকদের কাছ থেকে একটি এ কে-৪৭ রাইফেল নিয়েছিলেন।

সঞ্জয়ের বাবা তখন কংগ্রেস এমপি। তার সামাজিক দায়বদ্ধতা সর্বজনবিদিত। একাত্তরে বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ানো সুনীল স্ত্রীর মৃত্যুর পর ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় তহবিল সংগ্রহে নেমেছিলেন।

মুম্বাই হামলার পর ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলমানদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য দাঁড়িয়েছিলেন সুনীল, সেই কারণে কট্টর হিন্দুদের হুমকি পেতে হয়েছিল তাকে।

সঞ্জয় বলেন, বাবা সুনীল দত্তের রাজনৈতিক শত্রুতার কারণে দোষী সাব্যস্ত হতে হয় তাকে, খাটতে হয় জেল।

এ বিষয়ে পরিচালক সুভাষ ঘাই বলেন, “আমি সঞ্জয় দত্তকে ছোটবেলা থেকে চিনি। তাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়, আমি জানতাম সে নির্দোষ এবং ফাঁদে পড়েছে। সে অপরাধী নয়।“

প্রেম

সঞ্জয়ের জীবনে যে কত নারী, তা বলে শেষ করার নয়। বলা হয়, ৩০৮ জন প্রেমিকা আসা-যাওয়া করেছেন তার জীবনে। বাল্যবন্ধু ‘রকি’ সিনেমার নায়িকা টিনা মুনিমের সঙ্গে তার প্রেমের কাহিনী কারও অজানা নয়। টিনা এখন ভারতের শীর্ষ ধনীদের একজন অনীল আম্বানীর ঘরনী।

৯০ দশকের আলোচিত বিষয় ছিল মাধুরী-সঞ্জু প্রণয়। রহস্যময় কারণে ভেঙে যায় নাদিয়া দুররানির সাথে সঞ্জুর প্রেম। গুঞ্জন ছিলঅভিনেত্রী লিসা রে-কে নিয়েও।

বয়সে বড় অভিনেত্রী রেখার সঙ্গে সঞ্জয়ের প্রেমের গুঞ্জন ওঠে বলিউড দুনিয়ায়। তবে এক্ষেত্রে তা অস্বীকার করে ‘অফিসিয়াল’ বক্তব্য দেন সঞ্জয়।

নিজের ‘প্লেবয়’ ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সঞ্জয় অবলীলায় বলেছিলেন, একসঙ্গে কয়েক নারীর সঙ্গে প্রেম চালিয়ে গেলেও কারও কাছেই ধরা পড়েননি তিনি।

তবে জীবনের শেষ বেলায় এসে মান্যতায় এসে মিশেছে তার সব প্রেম।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক