ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তর পাচ্ছে ১২২৫ কোটি টাকা

এ প্রকল্পের জন্য ৯৪৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, মাস্টার ড্রেন ও সীমানা দেয়াল তৈরি করা হবে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 August 2022, 02:32 PM
Updated : 2 August 2022, 02:32 PM

নবগঠিত ময়মনসিংহ বিভাগের সদর দপ্তরের জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং সদর দপ্তর স্থাপনে প্রায় এক হাজার ২২৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ভূমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসন’ শীর্ষক প্রকল্পটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৈঠকে তোলে। এক হাজার ২২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২৪ সালের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

এ প্রকল্পের জন্য ৯৪৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, মাস্টার ড্রেন ও সীমানা দেয়াল তৈরি করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এদিন বৈঠকে এ প্রকল্পটিসহ দুই হাজার সাত কোটি ৫৭ লাখ টাকার মোট সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এক হাজার ৮৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দেওয়া হবে, প্রকল্প সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে ১২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর ৫৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে।

বৈঠকে কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর বেড়িবাঁধ নির্মাণে একটি প্রকল্প সংশোধন করে ২২৭ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সময় নাফ নদীর তীর ধরে বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রকল্পে বাঁধের ওপর ঝাউগাছ লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় জায়গায় কালভার্ট ও নালা তৈরি করে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।”

বৈঠকে অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হল-

>> ’কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়নমার-এ সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭বি ও ৬৮) পুনর্বাসন (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প; ব্যয় ২২৭ কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৬৮ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

>> ‘বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) গবেষণা কর্মক্রম শক্তিশালীকর‘ প্রকল্প; ব্যয় ১৬৪ কোটি টাকা।

>> ‘প্রকিউরমেন্ট অব ইক্যুইপমেন্ট অ্যান্ড মেশিনারিজ ফ্রম বেলারুশ ফর সিলেক্টেড মিউনিসিপালিটিস অ্যান্ড সিটি কর্পোরেশনস’ প্রকল্প; ব্যয় ১৫০ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

>> ‘উত্তরা লেক উন্নয়ন’ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প; ব্যয় ৫৩ কোটি ৪১ লাখ থেকে বেড়ে ৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

>> ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ’ প্রকল্প; ব্যয় ১৬২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

>> ‘কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রাজশাহী’ প্রকল্প; ব্যয়- ২৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক