২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সার ও কীটনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড়

কাজুবাদামের উৎপাদন বাড়াতে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jun 2026, 07:25 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:27 PM

কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে নতুন অর্থবছরের বাজেটে।

সেই সঙ্গে কাজুবাদামের উৎপাদন বাড়াতে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরুর মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, “কীটনাশক উৎপাদনে ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) মওকুফ করে শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে জিংক সালফেট সার উৎপাদনের মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করারও প্রস্তাব করা হচ্ছে।”

এছাড়া প্রাণী চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পণ্যের পরিবর্তে তার জেনেরিক পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শূন্য শতাংশ হারে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ারও প্রস্তাব করা হয়।

পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাদ্যের কাঁচামাল আমদানিতেও কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। 

বাজেটে বলা হয়, “পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্পের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ও সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনে তিনটি কাঁচামাল নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করে শূন্য শতাংশ হারে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে।”

এছাড়া পোল্ট্রি খাতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়। 

বাজেটে বলা হয়, “অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম ও প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক যথাক্রমে ১ শতাংশ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হচ্ছে।”

তবে দেশি উৎপাদকদের অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্ক ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।  

পাঙ্গাস মাছের ফিলেট আমদানিতেও সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

বাজেটে বলা হয়, “দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উপযুক্ত বাজার প্রতিরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমদানি করা পাঙ্গাস মাছের ফিলেটের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হচ্ছে।”